সর্বশেষ
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ২০২৯ সালের মধ্যে চার লেনে উন্নীত হবে।ফিলিস্তিনে ইসরাইলের আবারো গণগ্রেপ্তার।এবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগবিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দার্জিলিং সমস্যার সমাধান করা হবে: অমিত শাহআমি কেন মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলামরাজবাড়ীতে নারীকে মাইক্রোবাসে তুলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: তরুণদল নেতা সহো আটক ৩।চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ২০২৯ সালের মধ্যে চার লেনে উন্নীত হবে।ফিলিস্তিনে ইসরাইলের আবারো গণগ্রেপ্তার।এবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগবিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দার্জিলিং সমস্যার সমাধান করা হবে: অমিত শাহআমি কেন মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলামরাজবাড়ীতে নারীকে মাইক্রোবাসে তুলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: তরুণদল নেতা সহো আটক ৩।
Live Bangla Logo

শ্রীলংকা, বাংলাদেশ, নেপালের পর এবার কি ভারতের পালা?

প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
শ্রীলংকা, বাংলাদেশ, নেপালের পর এবার কি ভারতের পালা?

শ্রীলংকা, বাংলাদেশ ও নেপালে সরকার পতনের পর এবার কি ভারতের পালা? অসন্তোষের আগুন ছড়িয়ে পড়ছে উপমহাদেশে।

দক্ষিণ এশিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতা ও জনবিক্ষোভ যেন এক নতুন বাস্তবতা হয়ে উঠছে। গত কয়েক বছরে শ্রীলংকা, বাংলাদেশ ও নেপালে জনরোষ ও আন্দোলনের মুখে ক্ষমতাসীন সরকারগুলোর পতন ঘটেছে বা তাদের কর্তৃত্ব চরমভাবে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

শ্রীলংকায়, জ্বালানি ও খাদ্যসংকটের প্রেক্ষাপটে তীব্র জনরোষে ২০২২ সালে গোতাবায়া রাজাপক্ষে সরকার পদত্যাগে বাধ্য হয়।

বাংলাদেশে, বিরোধী জোটের লাগাতার আন্দোলন ও মানুষের ভোটাধিকার প্রশ্নে ব্যাপক ক্ষোভের মধ্য দিয়ে সরকার পালিয়ে যায়।

নেপালে, রাজনৈতিক অস্থিরতা, সরকার গঠন ও ভাঙনের ধারাবাহিকতায় জনগণের আস্থার অভাব প্রকট হয়ে উঠে। দুই দিনের আন্দোলনে সরকার পালিয়ে যায়।

এই প্রেক্ষাপটে অনেকের মনে প্রশ্ন—এবার কি ভারতের পালা?

ভারতের অভ্যন্তরে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে:

  • বেকারত্ব ও মূল্যবৃদ্ধি,
  • সামাজিক বিভাজন ও সংখ্যালঘু ইস্যু,
  • মনিপুর সহ একাধিক রাজ্যে সহিংসতা,
  • এবং গণমাধ্যম ও বিচার ব্যবস্থার স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন

আসন্ন নির্বাচন ঘিরে ভারতের রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়ছে। বিরোধী দলগুলো ‘ইন্ডিয়া’ জোট গঠন করে সরকারকে চাপে রাখার চেষ্টা করছে। সোশ্যাল মিডিয়া ও গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে যে, দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় চিড় ধরেছে।

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারতের প্রেক্ষাপট কিছুটা আলাদা। এখানে এখনো গণতন্ত্রের কিছু প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো বিদ্যমান, এবং কেন্দ্রীয় সরকার ব্যাপক জনসমর্থনের দাবি করে। কিন্তু বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির একত্রীকরণ ও জনগণের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ আগামী দিনে ভারতের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিচ্ছে।

শেষ কথা, উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে— যখন জনগণ জেগে ওঠে, তখন কোনো সরকারই স্থায়ী নয়। ভারতের ভবিষ্যৎ তাই নির্ভর করছে জনগণের সাড়া, নেতৃত্বের জবাবদিহিতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ টিকিয়ে রাখার উপর।

সরকারপতন #আন্দোলন #পালাবদল #রাজনীতি #ভারত #পরিবর্তন #লাইভবাংলা

শ্রীলংকা, বাংলাদেশ, নেপালের পর এবার কি ভারতের পালা? | Live Bangla