সর্বশেষ
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ২০২৯ সালের মধ্যে চার লেনে উন্নীত হবে।ফিলিস্তিনে ইসরাইলের আবারো গণগ্রেপ্তার।এবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগবিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দার্জিলিং সমস্যার সমাধান করা হবে: অমিত শাহআমি কেন মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলামরাজবাড়ীতে নারীকে মাইক্রোবাসে তুলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: তরুণদল নেতা সহো আটক ৩।চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ২০২৯ সালের মধ্যে চার লেনে উন্নীত হবে।ফিলিস্তিনে ইসরাইলের আবারো গণগ্রেপ্তার।এবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগবিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দার্জিলিং সমস্যার সমাধান করা হবে: অমিত শাহআমি কেন মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলামরাজবাড়ীতে নারীকে মাইক্রোবাসে তুলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: তরুণদল নেতা সহো আটক ৩।
Live Bangla Logo

ইসরায়েলি জিম্মি এবং ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তি: ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে ‘ঐতিহাসিক ভোর’ বলে অভিহিত করেছেন।

প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর, ২০২৫
ইসরায়েলি জিম্মি এবং ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তি: ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে ‘ঐতিহাসিক ভোর’ বলে অভিহিত করেছেন।

জেরুসালেম, ১৪ অক্টোবর ২০২৫: মধ্যপ্রাচ্যে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে, হামাস কর্তৃক অপহৃত সমস্ত জীবিত ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে এবং ইসরায়েল কর্তৃক হাজার হাজার ফিলিস্তিনি বন্দীকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘মধ্যপ্রাচ্যের এক নতুন ভোর’ বলে অভিহিত করেছেন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বাধীন আক্রমণে অপহৃত ২০ জন জীবিত জিম্মিকে হামাস মুক্তি দিয়েছে। এই মুক্তি একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে সম্পাদিত হয়েছে। 8 অন্যদিকে, ইসরায়েল প্রায় ২,০০০ ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে, যার মধ্যে ২৫০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ছিল। 1 এদের মধ্যে ৮৮ জনকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে পাঠানো হয়েছে, এবং কিছু বন্দীকে গাজা বা পশ্চিম তীরে ফিরতে দেওয়া হয়নি।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইসরায়েলের কেনেসেটে (পার্লামেন্ট) এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ভাষণ দিয়েছেন, যেখানে তিনি এই ঘটনাকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের এক ঐতিহাসিক নতুন ভোর’ বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “এটি শান্তির এক নতুন যুগের সূচনা, যা আমরা সকলে অপেক্ষা করছিলাম।

এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি গাজায় দীর্ঘদিনের সংঘর্ষের অবসান ঘটাতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে। উভয় পক্ষের পরিবারগুলোতে আনন্দ এবং আবেগের দৃশ্য দেখা গেছে, যেমন মুক্ত জিম্মিদের স্বজনরা অশ্রুসজল চোখে তাদের স্বাগত জানিয়েছে।

এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে, যদিও ভবিষ্যতে চ্যালেঞ্জগুলো অবশিষ্ট রয়েছে।