গাজা শান্তি চুক্তিতে বিশ্ব নেতাদের প্রশংসা, কিন্তু গণহত্যার বিচারের দাবি অদৃশ্য?

দুবাই, ১৪ অক্টোবর ২০২৫: কাতারের মধ্যস্থতায় গাজায় শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা বিশ্ব নেতাদের কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে এই চুক্তি গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত করেছে। মিশরের শার্ম এল-শেখে অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে বিশ্ব নেতারা এই চুক্তিকে ‘একটি নতুন সকাল’ বলে অভিহিত করেছেন। “শার্ম এল-শেখে বিশ্ব নেতাদের সাথে গাজা শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর”
এই চুক্তির অধীনে ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে, যাতে জিম্মিদের মুক্তি এবং প্যালেস্টাইনী বন্দীদের ছাড়া হয়েছে। ট্রাম্পের ২০-পয়েন্ট পরিকল্পনা অনুসারে গাজায় পুনর্নির্মাণ এবং শাসন ব্যবস্থা পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। বিবিসি রিপোর্ট অনুসারে, এই চুক্তি গাজায় শান্তির পথ প্রশস্ত করেছে এবং বিশ্ব নেতারা এটিকে স্বাগত জানিয়েছেন।
কিন্তু এই চুক্তির মধ্য দিয়ে গাজায় গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের দাবি অদৃশ্য হয়ে গেছে। জাতিসংঘের কমিশন গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে গণহত্যা বলে অভিহিত করেছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং অন্যান্য সংস্থা বলছে যে যুদ্ধবিরতি বিচারের পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে না। আল জাজিরা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে চুক্তি প্যালেস্টাইনীদের অধিকারের প্রশ্ন এড়িয়ে গেছে।
টাইমস অফ ইসরায়েলের রিপোর্টে বলা হয়েছে যে চুক্তি সত্ত্বেও গাজায় লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে, যেমন ইসরায়েলী বাহিনীর গুলিতে পাঁচ প্যালেস্টাইনী নিহত। প্যালেস্টাইনী সংগঠনগুলো বলছে যে শান্তি চুক্তি গণহত্যার দায়মুক্তি দেয় না। এই চুক্তি বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও, গাজার ভুক্তভোগীদের বিচারের দাবি এখনও অপূর্ণ।