সর্বশেষ
সূত্রের খবর অনুযায়ী, Jet fuel shortage: Why Iran war could ground flights in Europeসূত্রের খবর অনুযায়ী, Syria takes control of all bases where US forces were deployedদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, US general clarifies Iranian ports under blockade, not Strait of Hormuzসূত্রের খবর অনুযায়ী, No date set for US-Iran talks, as Pakistan pushes to keep diplomacy aliveগণিত: ৩০টি শূন্যস্থান পূরণ দেখে নাওগণিতের ২৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্নইসরায়েল–লেবানন যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হবে, থাকবে ছুটিসূত্রের খবর অনুযায়ী, Jet fuel shortage: Why Iran war could ground flights in Europeসূত্রের খবর অনুযায়ী, Syria takes control of all bases where US forces were deployedদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, US general clarifies Iranian ports under blockade, not Strait of Hormuzসূত্রের খবর অনুযায়ী, No date set for US-Iran talks, as Pakistan pushes to keep diplomacy aliveগণিত: ৩০টি শূন্যস্থান পূরণ দেখে নাওগণিতের ২৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্নইসরায়েল–লেবানন যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হবে, থাকবে ছুটি
Live Bangla Logo

ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ায় ৬.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি আশঙ্কা নেই

প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর, ২০২৫
ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ায় ৬.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি আশঙ্কা নেই

ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়া প্রদেশে শক্তিশালী ৬.৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় দুপুরে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল আবেপুরা শহর থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে এবং ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল প্রায় ৭০ কিলোমিটার (৪৩.৫ মাইল)। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

প্যাসিফিক সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পের পর সুনামি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা নেই। তবে স্থানীয় প্রশাসন সম্ভাব্য আফটারশকের বিষয়ে সতর্ক রয়েছে।

পাপুয়া প্রদেশের সার্মি জেলা এবং আশপাশের এলাকায় ভূমিকম্পটি সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েক সেকেন্ড ধরে ভবন কেঁপে ওঠে এবং অনেকে আতঙ্কে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন।

ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (BNPB) জানায়, মাঠ পর্যায়ের দলগুলো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য যাচাই করছে। এখন পর্যন্ত বিদ্যুৎ বা যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের সমস্যা দেখা যায়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় “রিং অব ফায়ার” অঞ্চলে অবস্থিত—যেখানে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুত্পাত নিয়মিত ঘটে। দেশটিতে প্রতি বছর শত শত মাঝারি ও শক্তিশালী ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়।

এর আগে চলতি বছরের জুলাই মাসে মালুকু প্রদেশের উপকূলীয় এলাকায় ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল, তবে সেবারও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

ভূমিকম্প-প্রবণ অঞ্চল হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার কর্তৃপক্ষ নিয়মিতভাবে জনগণকে নিরাপত্তা সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানায় এবং ভবন কাঠামো মজবুত করার নির্দেশনা জারি রাখে।