সর্বশেষ
সূত্রের খবর অনুযায়ী, Jet fuel shortage: Why Iran war could ground flights in Europeসূত্রের খবর অনুযায়ী, Syria takes control of all bases where US forces were deployedদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, US general clarifies Iranian ports under blockade, not Strait of Hormuzসূত্রের খবর অনুযায়ী, No date set for US-Iran talks, as Pakistan pushes to keep diplomacy aliveগণিত: ৩০টি শূন্যস্থান পূরণ দেখে নাওগণিতের ২৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্নইসরায়েল–লেবানন যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হবে, থাকবে ছুটিসূত্রের খবর অনুযায়ী, Jet fuel shortage: Why Iran war could ground flights in Europeসূত্রের খবর অনুযায়ী, Syria takes control of all bases where US forces were deployedদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, US general clarifies Iranian ports under blockade, not Strait of Hormuzসূত্রের খবর অনুযায়ী, No date set for US-Iran talks, as Pakistan pushes to keep diplomacy aliveগণিত: ৩০টি শূন্যস্থান পূরণ দেখে নাওগণিতের ২৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্নইসরায়েল–লেবানন যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হবে, থাকবে ছুটি
Live Bangla Logo

নির্বাচিত সরকার না আসা পর্যন্ত বাংলাদেশকে ঋণের ষষ্ঠ কিস্তি দেবে না আইএমএফ

প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর, ২০২৫
নির্বাচিত সরকার না আসা পর্যন্ত বাংলাদেশকে ঋণের ষষ্ঠ কিস্তি দেবে না আইএমএফ

নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশকে ঋণের ষষ্ঠ কিস্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটি জানিয়েছে, নতুন সরকারের সঙ্গে আলোচনার পরই সংস্কার কর্মসূচি অব্যাহত রাখার নিশ্চয়তা পেলে কিস্তির অর্থ ছাড় করা হবে।

ষষ্ঠ কিস্তিতে বাংলাদেশ পাওয়ার কথা প্রায় ৮০ কোটি ডলার। তবে চলমান সংস্কার কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা এবং নতুন সরকারের নীতিগত অবস্থান স্পষ্ট না হওয়ায় আপাতত অর্থ ছাড়ে অনীহা প্রকাশ করেছে আইএমএফ।

সম্প্রতি ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার ফাঁকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সঙ্গে এক বৈঠকে এ বার্তা দেয় সংস্থাটি। গভর্নর জানান, চলতি ডিসেম্বরেই কিস্তি ছাড় হওয়ার কথা থাকলেও নির্বাচনপূর্ব সময়ে আইএমএফ তা দিতে রাজি নয়।

তিনি বলেন, “রিজার্ভ পরিস্থিতি ভালো, ডলার স্থিতিশীল। আইএমএফ-এর নীতিসহায়তা গুরুত্বপূর্ণ, তবে তাদের অর্থ ছাড়া দেশ চলবে।”

অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আইএমএফ যদি কঠিন শর্ত আরোপ করে, বাংলাদেশ তা মানবে না। এখন দেশ আগের মতো সংকটে নেই।”

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনকে সামনে রেখে আইএমএফ তাদের সংস্কার শর্ত বাস্তবায়নে চাপ সৃষ্টি করছে। নির্বাচনের আগে ঋণ না ছাড়ার অর্থ হলো, বাংলাদেশ শর্ত মানছে না—এমন একটি সংকেত বৈশ্বিক অঙ্গনে পাঠানো। সংস্থাটি নতুন সরকার গঠনের পর প্রতিশ্রুতি নিয়েই কিস্তি ছাড় করতে চায়।

এর আগে ২০০১ সালেও নির্বাচনপূর্ব সময়ে আইএমএফ অনুরূপ চাপ প্রয়োগ করেছিল। এমনকি ২০২২ সালে জ্বালানি ও মুদ্রানীতির কড়াকড়ি আরোপ করে সরকারকে তেল ও গ্যাসের দাম বাড়াতে বাধ্য করেছিল, যার ফলে দেশে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যায়।

এদিকে, ঋণের ষষ্ঠ কিস্তির শর্ত পর্যালোচনায় আগামী ২৯ অক্টোবর আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা সফরে আসছে। দুই সপ্তাহব্যাপী সফরে তারা সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করবে এবং মূল্যায়ন প্রতিবেদন তৈরি করবে—যা কিস্তি ছাড়ের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩২.১৪ বিলিয়ন ডলারে। রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ে ইতিবাচক প্রবণতা থাকলেও আইএমএফ ঋণ ছাড় বিলম্বে সামষ্টিক অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

২০২২ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকার আইএমএফ-এর কাছে ৪৭০ কোটি ডলারের সহায়তা চায়, যা পরে ৫৫০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়। ইতোমধ্যে পাঁচ কিস্তিতে ৩৬০ কোটি ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ।

#আইএমএফ #বাংলাদেশঅর্থনীতি #ঋণ #নির্বাচন #অর্থনীতি