
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, সমঝোতা বা জোট রাজনৈতিক ও আদর্শিক ভিত্তিতে নেওয়া হতে পারে—বিশেষত জুলাই সনদের সংস্কার দাবি যেসব দলের সঙ্গে মিলবে সেসব দলের সঙ্গে সংহতি থাকলে জোটের কথা ভাবা যেতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত এনসিপি এককভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং এই মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করবে বলে তিনি জানান।
সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইলে শহীদ জুলাই যোদ্ধা গাজী সালাউদ্দিনের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে তিনি বলেন, “আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি, আমরা এককভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। ৩০০ আসনেই নির্বাচন করা আমাদের লক্ষ্য।” নাহিদ আরও জানিয়েছেন, যারা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন—তাঁদের সম্মানের জন্য কিছু আসনে প্রার্থী দেবেন না; অন্যসব আসনে শাপলা কলির প্রার্থী দেবেন তারা।
নাহিদ দেশের নির্বাচনি সংস্কৃতি বদলানোর লক্ষ্যে সাধারণ, গ্রহণযোগ্য ও এলাকার মানুষদেরকে সংসদে পাঠাতে চাওয়ার কথা জানান এবং টাকা-পয়সা কিংবা গডফাদারশিপের রাজনীতিকে চ্যালেঞ্জ করার আহ্বান জানান।
জুলাই যোদ্ধাদের longue-term চিকিৎসা ও আচরণ নিয়ে তিনি তীব্র উদ্বেগ ব্যক্ত করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব না পালনের কারণে আহত ও মারা যাওয়ার সংখ্যা বাড়ছে; সার্বিকভাবে গণঅভ্যুত্থানের আহত যোদ্ধাদের সুষ্ঠু চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকারকে তৎপর হতে হবে।
নাহিদ বলেন, গাজী সালাহউদ্দিনের পরিবারের পাশে এনসিপি আছে এবং তিনি সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন যে নিহত ও আহতদের যথাযথ চিকিৎসা ও রাজনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক—কারণ তাদের ত্যাগের ফলেই ফ্যাসিবাদ পরাজিত হয়েছে এবং “নতুন বাংলাদেশ” প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা কোনও ফ্যাসিবাদীর আবাসস্থল হবে না।