সর্বশেষ
খবরে প্রকাশ, Trump announces Iran ceasefire extension but says blockade remainsদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, EU eyes options as Iran conflict threatens jet fuel shortagesখবরে প্রকাশ, Real Madrid close on Barcelona as Mbappe and Vinicius net against AlavesPeru’s election chief steps down amid frustration over long vote countহজের মাসে কেন ওমরাহ করেছেন নবীজিখবরে প্রকাশ, Germany, Italy block bid to suspend EU-Israel trade agreementসংবাদ সূত্রে জানা গেছে, Trump announces Iran ceasefire extension but says blockade remainsদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, EU eyes options as Iran conflict threatens jet fuel shortagesখবরে প্রকাশ, Trump announces Iran ceasefire extension but says blockade remainsদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, EU eyes options as Iran conflict threatens jet fuel shortagesখবরে প্রকাশ, Real Madrid close on Barcelona as Mbappe and Vinicius net against AlavesPeru’s election chief steps down amid frustration over long vote countহজের মাসে কেন ওমরাহ করেছেন নবীজিখবরে প্রকাশ, Germany, Italy block bid to suspend EU-Israel trade agreementসংবাদ সূত্রে জানা গেছে, Trump announces Iran ceasefire extension but says blockade remainsদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, EU eyes options as Iran conflict threatens jet fuel shortages
Live Bangla Logo

‘সিলেটিরা কখনও উল্টো পথে যায় না’

প্রকাশিত: ২৩ নভেম্বর, ২০২৫
‘সিলেটিরা কখনও উল্টো পথে যায় না’

সিলেট মহানগরীর রাস্তায় হঠাৎ করেই চোখে পড়ছে এক নতুন দৃশ্য। বিভিন্ন মোড়, ডিভাইডার ও ফুটপাতের বৈদ্যুতিক খুঁটিতে তার দিয়ে ঝোলানো ফেস্টুনে লেখা ‘সিলেটিরা কখনও উল্টো পথে যায় না’। ব্যতিক্রমী এই বার্তা ইতোমধ্যে শহরজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পথচারী থেকে সচেতন নাগরিকসহ সকলেই উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছেন।

শনিবার (২২ নভেম্বর) নগরীর আম্বরখানা, জিন্দাবাজার, সুবিদবাজার, কাজিরবাজার, মিরাবাজারসহ বেশ কিছু এলাকায় এই ফেস্টুন চোখে পড়ছে। প্রতিটি স্থানে প্রায় একই ডিজাইন, একই বার্তা। যা দেখে অনেকে ধারণা করছেন এটি একটি সমন্বিত উদ্যোগ, যদিও কেউই দায়িত্ব স্বীকার করেনি।

ফেস্টুন দেখে অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রশংসা জানাচ্ছেন। তারা বলছেন, যারা এই উদ্যোগটি নিয়েছেন তারা সত্যিই ভালো করেছেন। সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এ ধরনের ইতিবাচক বার্তা সাধারণ মানুষকে আকৃষ্ট করবে এবং চলাচলেও সহায়তা করবে।

বাতালি এলাকার বাসিন্দা জায়েদ আহমদ বলেন, ‘এ ধরনের বার্তা চোখে পড়লে মানুষ একটু হলেও সচেতন হয়। বিশেষ করে উল্টো পথে গাড়ি চালানোর প্রবণতা কমাতে এই ধরনের উদ্যোগ সত্যিই কাজে দেবে। যারা করেছে, তারা খুব ভালো কাজ করেছে।’

জিন্দাবাজারের পথচারী নুসরাত জাহান বলেন, ‘আমরা প্রতিদিনই দেখি অনেকে উল্টো পথে চলে বিপদ ডেকে আনে। এই ফেস্টুন দেখলে অন্তত কিছু মানুষ থেমে ভাববে। উদ্যোগটা সত্যিই প্রশংসনীয়। ফেস্টুনগুলোতে উপদেশমূলক বার্তা থাকলেও কোথাও উদ্যোগ নেওয়া ব্যক্তি বা সংগঠনের নাম উল্লেখ করা নেই। এতে অনেকের মাঝে কৌতূহল দেখা দিয়েছে ‘

শাহজালাল উপশহরের বাসিন্দা সারওয়ার হোসেন বলেন, ‘যারা করেছে তাদের নাম থাকলে ভালো হতো। পরিচয় জানলে আমরা ধন্যবাদ দিতে পারতাম। তবে নাম না থাকলেও তাদের কাজ সবার নজর কেড়েছে।’

মিরাবাজারের বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী সাজ্জাদ রাহাত বলেন, ‘সিলেটের রাস্তায় উল্টো পথে চলা একটি বড় সমস্যা। ছোট ছোট বার্তাও মানুষের আচরণ পরিবর্তন করতে পারে। এই ফেস্টুনগুলো একই সঙ্গে ব্যতিক্রমী, দৃষ্টি আকর্ষণকারী এবং ফলপ্রসূ। প্রশাসন ও নাগরিক—দুই পক্ষেরই দায়িত্ব নিয়ে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। যদি অজ্ঞাত কোনো গ্রুপ এগুলো করে থাকে, তাহলে তাদের প্রশংসা প্রাপ্য।’

তবে শহরের অনেকেই মনে করছেন, যেহেতু এটি জনস্বার্থের একটি কার্যক্রম, এটি কারা করেছে, সেই তথ্য ফেস্টুনের নিচে থাকলে ভালো হতো। তাহলে উদ্যোগ দাতাদের চেনা যেত এবং আরও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হতো। এমন সচেতনতার বার্তা উল্টো পথে চলার প্রবণতা কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। ব্যতিক্রমী এই নাগরিক উদ্যোগ আরও বড় আকারে ছড়িয়ে পড়লে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সবাই।

এদিকে সচেতন নাগরিকরা বলছেন, উল্টো পথে চলাচল কমাতে এবং নগরজুড়ে ট্রাফিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় এটি একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ। এমন প্রভাবশালী বার্তা শহরবাসীর আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা করছেন।