এম এ মালেক ‘স্বশিক্ষিত’ ও পেশা ‘কিছুই না’ উল্লেখ করেছেন হলফনামায়।

সিলেট-৩ আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার লক্ষ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল মালিক (এম এ মালিক)। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় তিনি নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে ‘স্বশিক্ষিত’ এবং বর্তমান পেশা হিসেবে ‘কিছুই না’ উল্লেখ করেছেন।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সিলেটের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
হলফনামায় এম এ মালিক তার পূর্বের পেশা হিসেবে ‘প্রবাসী শ্রমিক’ উল্লেখ করেছেন। যুক্তরাজ্য প্রবাসী এই বিএনপি নেতা বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রবাসে অবস্থান করলেও সরকারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। তিনি বিএনপির যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। তার বিরুদ্ধে বর্তমানে কোনো মামলা নেই বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।
স্ত্রীর পেশা সম্পর্কে হলফনামায় বলা হয়েছে, তিনি বর্তমানে গৃহিণী। তবে অতীতে যুক্তরাজ্যে শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
বর্তমানে কোনো পেশায় নিয়োজিত না থাকলেও এম এ মালিকের কাছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ নগদ অর্থ রয়েছে। হলফনামা অনুযায়ী, তার কাছে নগদ ২ লাখ টাকা, ৭১ হাজার ৭৭৩ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার এবং ৬ হাজার ৭১০ ব্রিটিশ পাউন্ড রয়েছে। অন্যদিকে তার স্ত্রীর কাছে নগদ অর্থ রয়েছে ১ লাখ টাকা।
আয়ের উৎস হিসেবে এম এ মালিক উল্লেখ করেছেন, বাড়ি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ভাড়া থেকে তার বার্ষিক আয় ৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা। পাশাপাশি বিদেশে তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিরা একই খাত থেকে বছরে ২০ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড আয় করেন বলে হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে।
সম্পদের বিবরণীতে তিনি জানান, ঢাকার বনানীতে তার একটি নিজস্ব অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। এছাড়া গ্রামের বাড়িতে যৌথ মালিকানাধীন একটি বাড়িও রয়েছে।