সর্বশেষ
সূত্রের খবর অনুযায়ী, Jet fuel shortage: Why Iran war could ground flights in Europeসূত্রের খবর অনুযায়ী, Syria takes control of all bases where US forces were deployedদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, US general clarifies Iranian ports under blockade, not Strait of Hormuzসূত্রের খবর অনুযায়ী, No date set for US-Iran talks, as Pakistan pushes to keep diplomacy aliveগণিত: ৩০টি শূন্যস্থান পূরণ দেখে নাওগণিতের ২৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্নইসরায়েল–লেবানন যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হবে, থাকবে ছুটিসূত্রের খবর অনুযায়ী, Jet fuel shortage: Why Iran war could ground flights in Europeসূত্রের খবর অনুযায়ী, Syria takes control of all bases where US forces were deployedদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, US general clarifies Iranian ports under blockade, not Strait of Hormuzসূত্রের খবর অনুযায়ী, No date set for US-Iran talks, as Pakistan pushes to keep diplomacy aliveগণিত: ৩০টি শূন্যস্থান পূরণ দেখে নাওগণিতের ২৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্নইসরায়েল–লেবানন যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হবে, থাকবে ছুটি
Live Bangla Logo

ম্যানচেস্টার-সিলেট রুট নিয়ে বিমানকে আলটিমেটাম দিলেন ৮ জন যুক্তরাজ্যের এমপি।

প্রকাশিত: ১০ জানুয়ারী, ২০২৬
ম্যানচেস্টার-সিলেট রুট নিয়ে বিমানকে আলটিমেটাম দিলেন ৮ জন যুক্তরাজ্যের এমপি।

লাইভ বাংলা রিপোর্ট • ১০ জানুয়ারি, ২০২৬ • সকাল ৫:৪২ টা (দুবাই সময়)

যুক্তরাজ্যের গ্রেটার ম্যানচেস্টার এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ৮ জন সংসদ সদস্য (এমপি) একযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে একটি কড়া আলটিমেটাম দিয়েছেন। এটি ম্যানচেস্টার-সিলেট রুটের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এমন উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, যা বাংলাদেশের জাতীয় এয়ারলাইন্সের অপারেশনাল সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেছে।

৯ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখের এই চিঠিটি সরাসরি বিমানের সিইও শফিউল আজিমের কাছে পাঠানো হয়েছে, এবং একটি কপি যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামের কাছেও পাঠানো হয়েছে। রোচডেলের পল ওয়াহ এবং ম্যানচেস্টার রুশোলমের আফজাল খানের নেতৃত্বে এই এমপিরা “স্থগিতকরণের মতো” সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দাবি করেছেন। এই রুটটি যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে বড় বাংলাদেশি প্রবাসী সম্প্রদায়ের জন্য একটি জীবনরেখা হিসেবে কাজ করে।

বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে যখন বিমান ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ থেকে তাদের বুকিং সিস্টেম থেকে এই ফ্লাইটগুলো অপসারণ করেছে বলে খবর বের হয়। এই সিদ্ধান্তে প্রবাসীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, যারা পরিবারের সাথে যোগাযোগ, চিকিত্সা জরুরি অবস্থা এবং শোকসংবাদের জন্য এই সরাসরি ফ্লাইটের উপর নির্ভর করে। এমপিরা উল্লেখ করেছেন যে, কোনো পাবলিক কমিউনিকেশন না থাকায় হাজারো মানুষের উদ্বেগ বেড়েছে। পরোক্ষ ফ্লাইটগুলো শুধুমাত্র ব্যয়বহুল নয়, বয়স্ক বা দুর্বল যাত্রীদের জন্য শারীরিকভাবে অসম্ভব।

আরও জ্বালানি যোগ করেছে সাম্প্রতিক তদন্তমূলক রিপোর্টগুলো, যা সন্দেহ করছে যে এই স্থগিতকরণটি সাধারণ বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত নয়। অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো সতর্ক করে বলছে যে এটি “স্ট্র্যাটেজি না স্যাবোটেজ”। ধারণা করা হচ্ছে যে এই রুটটি ইচ্ছাকৃতভাবে দুর্বল করা হচ্ছে যাতে মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিদ্বন্দ্বী এয়ারলাইন্সগুলো লাভবান হয় অথবা ম্যানচেস্টার মার্কেট থেকে স্থায়ীভাবে প্রত্যাহারের জন্য এটি একটি অজুহাত।

কেন্দ্রীয় প্রশ্নটি এখনও উত্তরহীন এবং শিল্প বিশেষজ্ঞদের বিভ্রান্ত করছে: কেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এমন একটি রুট বন্ধ করতে চাইবে যা সর্বদা ফুল বুকড এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ? এমপিরা স্পষ্টভাবে স্থগিতকরণের কারণ, রুটের বর্তমান অবস্থা এবং সার্ভিস রক্ষার জন্য কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে তা জানতে চেয়েছেন।

এই চিঠির ওজন বাড়িয়েছে স্বাক্ষরকারীরা, যার মধ্যে রয়েছেন অ্যান্ড্রু গুইন (গর্টন অ্যান্ড ডেনটন), জিম ম্যাকমাহন (ওল্ডহ্যাম ওয়েস্ট, চ্যাডারটন অ্যান্ড রয়টন), ডেবি আব্রাহামস (ওল্ডহ্যাম ইস্ট অ্যান্ড স্যাডলওয়ার্থ), সারাহ হল (ওয়ারিংটন সাউথ), নভেন্দু মিশ্র (স্টকপোর্ট), এবং জেফ স্মিথ (ম্যানচেস্টার উইথিংটন)। এই ঐক্যবদ্ধ ফ্রন্ট সংকেত দিচ্ছে যে উত্তর-পশ্চিমের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান এই রুটটিকে শুধুমাত্র বাণিজ্যিক সম্পদ হিসেবে নয়, সামাজিক অবকাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছে।

এমপিরা বিমানকে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সাথে মিলে যেকোনো স্থগিতকরণ প্রস্তাব পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা এই সংযোগটির সামাজিক এবং সম্প্রদায়গত গুরুত্বের উপর জোর দিয়ে বলেছেন যে এটি যুক্তরাজ্যের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগতভাবে অপরিহার্য। ১ ফেব্রুয়ারির সময়সীমা যত ঘনিয়ে আসছে, যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশি সম্প্রদায় ততই অনিশ্চয়তায় রয়েছে। তারা অপেক্ষা করছে দেখার জন্য যে বিমান তাদের বিশ্বস্ত যাত্রীদের অগ্রাধিকার দেবে না অভ্যন্তরীণ চাপের কাছে নতি স্বীকার করে দু’দেশের ঐতিহাসিক সংযোগ ছিন্ন করবে।