সর্বশেষ
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ২০২৯ সালের মধ্যে চার লেনে উন্নীত হবে।ফিলিস্তিনে ইসরাইলের আবারো গণগ্রেপ্তার।এবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগবিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দার্জিলিং সমস্যার সমাধান করা হবে: অমিত শাহআমি কেন মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলামরাজবাড়ীতে নারীকে মাইক্রোবাসে তুলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: তরুণদল নেতা সহো আটক ৩।চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ২০২৯ সালের মধ্যে চার লেনে উন্নীত হবে।ফিলিস্তিনে ইসরাইলের আবারো গণগ্রেপ্তার।এবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগবিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দার্জিলিং সমস্যার সমাধান করা হবে: অমিত শাহআমি কেন মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলামরাজবাড়ীতে নারীকে মাইক্রোবাসে তুলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: তরুণদল নেতা সহো আটক ৩।
Live Bangla Logo

চিকেন নেক ঘিরে উদ্বেগ: পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতে পরিত্যক্ত ৫ বিমানঘাঁটি পুনরুজ্জীবিত করছে দিল্লি

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
চিকেন নেক ঘিরে উদ্বেগ: পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতে পরিত্যক্ত ৫ বিমানঘাঁটি পুনরুজ্জীবিত করছে দিল্লি

বাংলাদেশ সীমান্ত ঘিরে বাড়তে থাকা নিরাপত্তা উদ্বেগ ও কৌশলগত বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে ভারতের পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার পরিত্যক্ত পাঁচটি বিমানঘাঁটি পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নিয়েছে নয়াদিল্লি। বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সংযোগকারী শিলিগুড়ি করিডোর বা ‘চিকেন নেক’-এর নিরাপত্তা জোরদার করাই এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে শিলিগুড়ি করিডোর ঘিরে বাড়তে থাকা নিরাপত্তা ঝুঁকি ভারতের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

এই উদ্বেগ আরও তীব্র হয়েছে বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলের লালমনিরহাট বিমানঘাঁটি পুনর্নির্মাণ উদ্যোগকে কেন্দ্র করে। শিলিগুড়ি করিডোরের কাছাকাছি অবস্থিত এই বিমানঘাঁটি নিয়ে ভারতের নিরাপত্তা মহলে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ভারতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের দাবি, গত এক বছরে বাংলাদেশ থেকে এই করিডোর বিচ্ছিন্ন করার হুমকির কথাও একাধিকবার উঠে এসেছে।

এরই মধ্যে ওই অঞ্চলে ভারতের সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের চোপড়া, বিহারের কিশানগঞ্জ এবং আসামের ধুবরি জেলায় নতুন সেনাঘাঁটি স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি যেসব বিমানঘাঁটি ও এয়ারস্ট্রিপ সংস্কারের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে জলপাইগুড়ির আমবাড়ি ও পাঙ্গা, দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট, মালদহের ঝালঝালিয়া এবং আসামের ধুবরি। এ ছাড়া পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার ও আসামের কোকরাঝাড় জেলার রূপসি বিমানঘাঁটি ইতোমধ্যে কার্যক্রমে রয়েছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের দৃষ্টিতে এসব ঐতিহাসিক বিমানঘাঁটি পুনরুজ্জীবন কেবল যোগাযোগ ও লজিস্টিক উন্নয়নের বিষয় নয়; বরং কৌশলগত গভীরতা বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যে অঞ্চল একসময় বৈশ্বিক সামরিক কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল, সেই অঞ্চলই নতুন করে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার কেন্দ্রে ফিরে আসছে—এই বাস্তবতা মাথায় রেখেই উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে।