সর্বশেষ
এবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগবিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দার্জিলিং সমস্যার সমাধান করা হবে: অমিত শাহআমি কেন মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলামরাজবাড়ীতে নারীকে মাইক্রোবাসে তুলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: তরুণদল নেতা সহো আটক ৩।Can Japan’s arms industry gain from Trump trust loss?LIVE: Bayern Munich vs Real Madrid – Champions League quarterfinalএবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগবিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দার্জিলিং সমস্যার সমাধান করা হবে: অমিত শাহআমি কেন মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলামরাজবাড়ীতে নারীকে মাইক্রোবাসে তুলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: তরুণদল নেতা সহো আটক ৩।Can Japan’s arms industry gain from Trump trust loss?LIVE: Bayern Munich vs Real Madrid – Champions League quarterfinal
Live Bangla Logo

লন্ডন হিথ্রোর কাছে গুদাম থেকে শতাধিক চুরি করা আইফোন উদ্ধার, আন্তর্জাতিক স্মাগলিং চক্র ভাঙল পুলিশ।

প্রকাশিত: ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬
লন্ডন হিথ্রোর কাছে গুদাম থেকে শতাধিক চুরি করা আইফোন উদ্ধার, আন্তর্জাতিক স্মাগলিং চক্র ভাঙল পুলিশ।

লন্ডন: একটি সাধারণ চুরির অভিযোগ থেকেই বড় ধরনের আন্তর্জাতিক অপরাধচক্রের সন্ধান পায় লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ। অ্যাপলের ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার ব্যবহার করে ভুক্তভোগী এক নারী তার চুরি হওয়া ফোনের অবস্থান শনাক্ত করেন হিথ্রো বিমানবন্দরের কাছের একটি গুদামে। সেখানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ শতাধিক চুরি করা স্মার্টফোন উদ্ধার করে।

তদন্তকারীরা জানান, গুদামে পাঠানোর জন্য প্যাকেট করা অসংখ্য ডিভাইসের মধ্যে ভুক্তভোগীর ফোনটি পাওয়া যায়। এর সূত্র ধরে সংগঠিত স্মাগলিং চক্রের সদস্যদের শনাক্ত ও আটক করা হয়। প্রথমে দুই ব্যক্তিকে বিপুলসংখ্যক ফোনসহ গ্রেপ্তার করা হয়—যার কিছু ট্র্যাকিং সিগন্যাল ঠেকাতে ফয়েলে মোড়ানো ছিল। পরে ধারাবাহিক অভিযানে আরও বহুজনকে আটক করা হয় এবং আরও ডিভাইস উদ্ধার হয়।

পুলিশের দাবি, চক্রটি লন্ডনে চুরি হওয়া ফোনের বড় অংশ বিদেশে পাচার করত। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, লন্ডনে চুরি হওয়া মোট ফোনের প্রায় ৪০ শতাংশই এই চক্রের মাধ্যমে মূলত চীনে পাঠানো হতো, যেখানে ইন্টারনেট-সক্ষম ফোনের চাহিদা ও দাম বেশি। রাস্তায় চোরদের প্রতি হ্যান্ডসেটের জন্য দেওয়া হতো কয়েকশ পাউন্ড, আর বিদেশে সেগুলো বিক্রি হতো কয়েক হাজার পাউন্ডে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, এই অভিযানে শুধু বিপুলসংখ্যক চুরি হওয়া ফোন উদ্ধারই নয়, সীমান্ত পেরিয়ে সক্রিয় একটি বড় অপরাধ নেটওয়ার্কও ভেঙে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।