সর্বশেষ
কল রেকর্ড নিয়ে বিরোধের জেরে সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগের হামলায় ছাত্রদলের আহত ১০সেনা প্রধানের উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটবিরোধী দলের ভাষা সংঘাতের দিকে না যাওয়ার আহ্বান ফখরুলেরবাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে ঢাকা সফরে আগ্রহ প্রকাশ করলেন ইউএই প্রেসিডেন্টজুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ৫ আগস্ট নয়াপল্টনে সমাবেশ করবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলঅসুস্থ বাবা ও প্রতিবন্ধী মায়ের সংসার চালাতেন আলিফ, চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ চাইল এনসিপিহবিগঞ্জে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী-সারজিস আলমসহ ১০ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামল।যশোরে গ্রেপ্তার শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন, চট্টগ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তরকল রেকর্ড নিয়ে বিরোধের জেরে সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগের হামলায় ছাত্রদলের আহত ১০সেনা প্রধানের উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটবিরোধী দলের ভাষা সংঘাতের দিকে না যাওয়ার আহ্বান ফখরুলেরবাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে ঢাকা সফরে আগ্রহ প্রকাশ করলেন ইউএই প্রেসিডেন্টজুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ৫ আগস্ট নয়াপল্টনে সমাবেশ করবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলঅসুস্থ বাবা ও প্রতিবন্ধী মায়ের সংসার চালাতেন আলিফ, চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ চাইল এনসিপিহবিগঞ্জে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী-সারজিস আলমসহ ১০ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামল।যশোরে গ্রেপ্তার শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন, চট্টগ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

বিয়ের ১ মাস আগে থেকে কনের কান্না: চীনের টু‌জিয়া সম্প্রদায়ের ব্যতিক্রমী ‘ক্রাইং ম্যারেজ’ প্রথা

প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬
বিয়ের ১ মাস আগে থেকে কনের কান্না: চীনের টু‌জিয়া সম্প্রদায়ের ব্যতিক্রমী ‘ক্রাইং ম্যারেজ’ প্রথা

বিশ্বজুড়ে বিয়ের আয়োজন মানেই আনন্দ, উৎসব ও উদযাপন। তবে চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের টু‌জিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রচলিত রয়েছে এক ব্যতিক্রমী বিবাহরীতি—বিয়ের আগে কনের নিয়মিত কান্না। ‘ক্রাইং ম্যারেজ’ নামে পরিচিত এই প্রথা সামাজিক ও সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত।

ইতিহাসবিদদের মতে, কিং রাজবংশের শেষ সময়কাল (১৬৪৪–১৯১১) পর্যন্ত এই রীতি ব্যাপকভাবে পালিত হতো। আধুনিক নগরজীবনে এর চর্চা কমে এলেও, গ্রামীণ ও পাহাড়ি এলাকায় টু‌জিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে এখনো এটি ঐতিহ্য হিসেবে টিকে আছে।

প্রথা অনুযায়ী, কনে সাধারণত বিয়ের এক মাস আগে থেকে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে কান্না করেন। কোথাও কোথাও দুই থেকে তিন মাস আগেই এই আয়োজন শুরু হয়। বিয়ের এক মাস আগে কনে রাতে একটি বিশেষ কক্ষে বা হলে গিয়ে এক ঘণ্টা ধরে কান্না করেন। দশ দিন পর এতে যোগ দেন মা; পরবর্তী সময়ে দাদি-নানি ও পরিবারের অন্যান্য বয়স্ক নারী সদস্যরাও অংশ নেন। এই ধারাবাহিক আয়োজনকে স্থানীয়ভাবে ‘জুও তাং’ বা হলে বসে থাকার রীতি বলা হয়।

এ কান্না কেবল আবেগের বহিঃপ্রকাশ নয়; এটি সংগীতের রূপ নেয়। ‘ক্রাই সং’ নামে পরিচিত এসব গানে কনের জীবনের আনন্দ-বেদনা, পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং নতুন জীবনের প্রত্যাশা ফুটে ওঠে। অনেক ক্ষেত্রেই কনে নিজেই গান রচনা বা অনুশীলন করেন।

টু‌জিয়া সম্প্রদায়ের কাছে ‘ক্রাইং ম্যারেজ’ কনের পরিণতিবোধ, পরিবার থেকে বিদায়ের অনুভূতি এবং নতুন জীবনে পদার্পণের প্রতীক—একটি অনন্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।