নিউজ
পড়া হচ্ছে...
গাজীপুরে পৃথক স্থানে আগুনে পোড়া দুই মরদেহ উদ্ধার: একজন অজ্ঞাত পরিচয়।

গাজীপুরে পৃথক দুই স্থান থেকে আগুনে পোড়ানো এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীসহ আরও এক অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের বৃন্দাবন এলাকা থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহ এবং দুপুরে সদর উপজেলার ভবানীপুর এলাকা থেকে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মাদ্রাসা শিক্ষার্থী মাহাবুর ইসলাম রনি (১৪) ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর থানার দৌলতপুর গ্রামের সোহাগ মিয়ার ছেলে। পরিবার নিয়ে তিনি ভবানীপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়ালেখা করতেন। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাছির আহমদ জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে আগুনে পোড়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অজ্ঞাত যুবকের আনুমানিক বয়স ২০ বছর। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যার পর মরদেহ গুম করতে নির্জন গজারি বনের পাশে এনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মরদেহ পোড়াতে দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, পরিচয় শনাক্তে কাজ চলছে। এ লক্ষ্যে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ময়নাতদন্তের পাশাপাশি ডিএনএ প্রোফাইল সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ওসি নাছির আহমদ বলেন, থানায় থাকা নিখোঁজ সংক্রান্ত জিডিগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পার্শ্ববর্তী থানাগুলোতেও এ বয়সী কেউ নিখোঁজ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।
অন্যদিকে, স্বজনদের বরাতে জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম জানান, শুক্রবার রাত ৯টার পর থেকে রনি নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা রাতভর খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। সকালে ভবানীপুর এলাকায় আগুনে পোড়া মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পরিবার গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করে। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে।