নিউজ
পড়া হচ্ছে...
খামেনি হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটে হামলা, সংঘাতে নিহত ৯।

ইসরায়েলি–মার্কিন হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার খবরে পাকিস্তানে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। করাচিতে যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটে হামলার ঘটনায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সংঘাতে অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। রোববার ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।
করাচিভিত্তিক উদ্ধার সংস্থা এধি ফাউন্ডেশন–এর মুখপাত্র মুহাম্মদ আমিন এএফপিকে জানান, কনস্যুলেটে হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৯ জনের মরদেহ করাচির বেসামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২০ জন। নিহতদের বেশিরভাগের শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এএফপির এক প্রতিনিধি জানান, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে রোববার সকালে কয়েকশ’ বিক্ষোভকারী করাচির মার্কিন কনস্যুলেটে প্রবেশের চেষ্টা করেন। একদল যুবক প্রধান ফটক টপকে ভেতরে ঢুকে ভবনের জানালার কাঁচ ভাঙচুর করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করলে বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে কাঁটাতারের বেষ্টনী ঘেরা চত্বরে মার্কিন পতাকার নিচে একদল যুবককে ভাঙচুর করতে দেখা যায়। সেখানে এক বিক্ষোভকারী ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। আরেকজনকে কনস্যুলেট ভবনে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
করাচির পাশাপাশি লাহোর এবং উত্তরের স্কার্দু শহরেও হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন। রোববার বিকেলে রাজধানী ইসলামাবাদ–এর কূটনৈতিক জোনে মার্কিন দূতাবাসের কাছে বড় ধরনের সমাবেশ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পাকিস্তানের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।