সালাহউদ্দিনের আমলা বন্ধুরা তাকে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছিল: আনিস আলমগীর।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের আইন মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত মন্তব্য ঘিরে বিরোধী দলের সমালোচনাকে অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, একজন অভিজ্ঞ ও শিক্ষাগতভাবে যোগ্য ব্যক্তির আইন বিষয়ে কথা বলা নিয়ে আপত্তি তোলা রাজনৈতিক আবেগের বহিঃপ্রকাশ।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সালাউদ্দিন আহমেদ শুধু রাজনীতিবিদই নন; তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিল থেকে সনদপ্রাপ্ত অ্যাডভোকেট। পাশাপাশি প্রশাসন ক্যাডারে যোগদানের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় তার বাস্তব অভিজ্ঞতাও রয়েছে।
আনিস আলমগীর আরও বলেন, সালাউদ্দিন আহমেদ বর্তমানে শুধু রাজনৈতিক নেতা হিসেবেই নন, বরং দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করছেন। অতীতে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তার ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন তিনি লিখেছেন-
“সবার স্মরণ থাকা উচিত যে, বিএনপির মহাসচিবকে যখন গ্রেফতার করা হয়েছিল, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব নিয়েই ভিডিও বক্তৃতা দিতে গিয়েই তিনি শেখ হাসিনার সরকারের রোষানলে পড়েছিলেন। উত্তরা থেকে তুলে নেওয়ার পর সরকারের ভেতরের সরকার, বা আরো সহজ করে বললে তার আমলা বন্ধুরা তাকে প্রাণে বাঁচানোর জন্য দেশের বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছিল।”
সংবিধান সংস্কার ইস্যুতেও তার সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করে আনিস আলমগীর বলেন, সংশ্লিষ্ট আলোচনায় দলীয় প্রতিনিধি হিসেবে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন এবং বিভিন্ন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতিতেও যুক্ত ছিলেন।
তবে তিনি মনে করেন, সমালোচনা করতে হলে তা হওয়া উচিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যকারিতা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং চলমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাফল্য—এসব বাস্তব বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে।
আইন মন্ত্রণালয় নিয়ে একজন যোগ্য ব্যক্তির বক্তব্য দেওয়াকে অস্বাভাবিক হিসেবে উপস্থাপন করা যুক্তিসঙ্গত নয় বলেও মন্তব্য করেন এই সাংবাদিক।