সর্বশেষ
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ২০২৯ সালের মধ্যে চার লেনে উন্নীত হবে।ফিলিস্তিনে ইসরাইলের আবারো গণগ্রেপ্তার।এবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগবিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দার্জিলিং সমস্যার সমাধান করা হবে: অমিত শাহআমি কেন মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলামরাজবাড়ীতে নারীকে মাইক্রোবাসে তুলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: তরুণদল নেতা সহো আটক ৩।চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ২০২৯ সালের মধ্যে চার লেনে উন্নীত হবে।ফিলিস্তিনে ইসরাইলের আবারো গণগ্রেপ্তার।এবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগবিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দার্জিলিং সমস্যার সমাধান করা হবে: অমিত শাহআমি কেন মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলামরাজবাড়ীতে নারীকে মাইক্রোবাসে তুলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: তরুণদল নেতা সহো আটক ৩।
Live Bangla Logo

মার্চে প্রবাসী আয় এলো ৩.৭৫ বিলিয়ন ডলার।

প্রকাশিত: ১ এপ্রিল, ২০২৬
মার্চে প্রবাসী আয় এলো ৩.৭৫ বিলিয়ন ডলার।

দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহের নতুন রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। চলতি বছরের মার্চ মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন (৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ) মার্কিন ডলার, যা স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।


বুধবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক-এর হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।


এর আগে একক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড ছিল ২০২৫ সালের মার্চে, তখন এসেছিল ৩ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে প্রবাসী আয়। এছাড়া ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ৩ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, যা এখন তৃতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চের শুরু থেকেই রেমিট্যান্স প্রবাহ ঊর্ধ্বমুখী ছিল। রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রবাসীদের অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বাড়ায় মাসজুড়ে এই প্রবৃদ্ধি বজায় থাকে।


ব্যাংকভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৪ কোটি ডলারের বেশি। বিশেষায়িত ব্যাংকের মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক একাই ৪৬ কোটি ৪৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এনেছে। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে সর্বোচ্চ ২৬৪ কোটি ডলার। আর বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে প্রায় এক কোটি ২০ হাজার ডলার।


তবে এই সময়ে ৭টি ব্যাংকের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এর মধ্যে রয়েছে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, আইসিবি ইসলামি ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, ব্যাংক আলফালাহ, হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান এবং স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া।


বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রবাসী আয়ের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা, আমদানি ব্যয় মেটানো এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।