সর্বশেষ
সূত্রের খবর অনুযায়ী, Jet fuel shortage: Why Iran war could ground flights in Europeসূত্রের খবর অনুযায়ী, Syria takes control of all bases where US forces were deployedদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, US general clarifies Iranian ports under blockade, not Strait of Hormuzসূত্রের খবর অনুযায়ী, No date set for US-Iran talks, as Pakistan pushes to keep diplomacy aliveগণিত: ৩০টি শূন্যস্থান পূরণ দেখে নাওগণিতের ২৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্নইসরায়েল–লেবানন যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হবে, থাকবে ছুটিসূত্রের খবর অনুযায়ী, Jet fuel shortage: Why Iran war could ground flights in Europeসূত্রের খবর অনুযায়ী, Syria takes control of all bases where US forces were deployedদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, US general clarifies Iranian ports under blockade, not Strait of Hormuzসূত্রের খবর অনুযায়ী, No date set for US-Iran talks, as Pakistan pushes to keep diplomacy aliveগণিত: ৩০টি শূন্যস্থান পূরণ দেখে নাওগণিতের ২৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্নইসরায়েল–লেবানন যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হবে, থাকবে ছুটি
Live Bangla Logo

পরবর্তী ২-৩ সাপ্তাহ ইরানকে শক্ত আঘাত করবো: ট্রাম্প।

প্রকাশিত: ২ এপ্রিল, ২০২৬
পরবর্তী ২-৩ সাপ্তাহ ইরানকে শক্ত আঘাত করবো: ট্রাম্প।


ট্রাম্পের জাতির উদ্দেশে ভাষণ: “পরবর্তী ২-৩ সপ্তাহে ইরানকে খুব কঠিন আঘাত করব”

ওয়াশিংটন, ২ এপ্রিল ২০২৬: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার (১ এপ্রিল) হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশে প্রাইমটাইম ভাষণ দেন। ভাষণে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে চলমান মার্কিন সামরিক অভিযান “Operation Epic Fury”-এর অগ্রগতি নিয়ে আপডেট দেন এবং সতর্ক করে বলেন, “We are going to hit them very hard in the next two to three weeks” (পরবর্তী দু-তিন সপ্তাহে আমরা তাদের ওপর খুব কঠিন আঘাত হানব)।

ট্রাম্প বলেন, গত এক মাসের অভিযানে ইরানের নৌবাহিনী ধ্বংস হয়ে গেছে, বিমানবাহিনী ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে, অনেক নেতা (যাদের অধিকাংশই সন্ত্রাসী) নিহত হয়েছে এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি ইরানি রেজিমকে “হত্যাকারী” বলে অভিহিত করে বলেন, এটি নিজ দেশের নাগরিকদের হত্যা করছে।

মূল বক্তব্য:

  • অভিযানের লক্ষ্য: ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ধ্বংস করা, নৌবাহিনী নির্মূল করা, প্রক্সি গ্রুপগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করা এবং ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না দেওয়া।
  • ট্রাম্পের দাবি: “ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আমেরিকান মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানার ক্ষমতা অর্জন করছিল, তাই আমাদের হস্তক্ষেপ জরুরি ছিল।”
  • স্ট্রেইট অফ হরমুজ: তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, হরমুজ প্রণালী “স্বাভাবিকভাবেই” খুলে যাবে।
  • যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান: “আমরা এখন মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর সম্পূর্ণ স্বাধীন, কিন্তু আমরা সেখানে সাহায্য করার জন্য আছি।”

ট্রাম্প ভাষণের শুরুতে নাসার সফল আর্টেমিস II মিশনের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, এই যুদ্ধ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি “সত্যিকারের বিনিয়োগ”।

পটভূমি:

এই অভিযান গত মাসে শুরু হয়েছে। ট্রাম্প ২০১৫ সাল থেকেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র থেকে দূরে রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছেন।