সর্বশেষ
Netanyahu sees Lebanon as his last chance for a ‘win’Israel’s High Court hears petitions to oust Ben-Gvirদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Is Iran beating the US at its own propaganda game?দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, UN experts urge member states to suspend Israel arms transfersBlood, Sweat and Sugarএবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগNetanyahu sees Lebanon as his last chance for a ‘win’Israel’s High Court hears petitions to oust Ben-Gvirদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Is Iran beating the US at its own propaganda game?দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, UN experts urge member states to suspend Israel arms transfersBlood, Sweat and Sugarএবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগ
Live Bangla Logo

৪০ দিন পর খুলে দেয়া হলো আল-আকসা মসজিদ

প্রকাশিত: ৯ এপ্রিল, ২০২৬
৪০ দিন পর খুলে দেয়া হলো আল-আকসা মসজিদ

ফিলিস্তিনের দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদ দীর্ঘ ৪০ দিনের নিষেধাজ্ঞার পর অবশেষে খুলে দিয়েছে ইসরাইল।



স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ভোরে ফজরের আজানের সঙ্গে সঙ্গে মসজিদের ফটক খুলে দিলে শত শত ফিলিস্তিনি মুসল্লি ভেতরে প্রবেশ করেন 

দীর্ঘদিন পর জামাতে নামাজ আদায় করতে পেরে অনেকে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। অনেককে কান্নায় ভেঙে পড়তে এবং মসজিদের আঙিনায় সেজদায় লুটিয়ে পড়ে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে দেখা যায়।

 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর হামলার জেরে আল-আকসা মসজিদ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয় ইসরাইল। এ সময় শুধুমাত্র ওয়াকফ কর্তৃপক্ষের সীমিত কর্মীদের প্রবেশের অনুমতি ছিল, অন্য মুসল্লিরা শহরের ছোট ছোট মসজিদে নামাজ আদায় করতে বাধ্য হন।

মসজিদটি বন্ধ থাকাকালীন গত ৬ এপ্রিল ইসরাইলের উগ্রপন্থি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির বিতর্কিতভাবে আল-হারাম আল-শরিফ প্রাঙ্গণ পরিদর্শন বা ‘স্টর্ম’ করেছিলেন, যা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল।

 

এ বছর ঈদুল ফিতরের নামাজও আল-আকসা মসজিদে পড়তে দেয়া হয়নি। ১৯৬৭ সালে পূর্ব জেরুজালেম দখলের পর এই প্রথম এমন ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে ইসরাইল খ্রিস্টানদের পবিত্র স্থান চার্চ অব দ্য হলি সেপালকারও বন্ধ করে দেয়।