সর্বশেষ
Netanyahu sees Lebanon as his last chance for a ‘win’Israel’s High Court hears petitions to oust Ben-Gvirদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Is Iran beating the US at its own propaganda game?দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, UN experts urge member states to suspend Israel arms transfersBlood, Sweat and Sugarএবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগNetanyahu sees Lebanon as his last chance for a ‘win’Israel’s High Court hears petitions to oust Ben-Gvirদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Is Iran beating the US at its own propaganda game?দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, UN experts urge member states to suspend Israel arms transfersBlood, Sweat and Sugarএবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগ
Live Bangla Logo

‘৭১ এ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগি জামায়াত: সংসদে বিল পাস।

প্রকাশিত: ৯ এপ্রিল, ২০২৬
‘৭১ এ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগি জামায়াত: সংসদে বিল পাস।

জাতীয় সংসদে পাস হওয়া সংশোধিত আইনে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী ও নেজামে ইসলাম পার্টির নাম বহাল রাখা হয়েছে।


বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে বিলটি উত্থাপন করেন আহমেদ আযম খান। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।


বিলটির বিরোধিতা করে বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির শফিকুর রহমান। তবে তাদের জোটসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) লিখিতভাবে স্পিকারকে জানায়, এ বিলের ওপর তাদের কোনো আপত্তি নেই।


সংসদের বিশেষ কমিটি অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি হুবহু বিল আকারে উত্থাপনের সুপারিশ করে। এই প্রতিবেদনের ওপর নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে জামায়াতের এমপিরা বলেন, সংশোধন ছাড়া বিলটি পাস হলে বর্তমান রাজনৈতিক দল হিসেবে মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী ও নেজামে ইসলাম পাকিস্তানের সহযোগী হিসেবে চিহ্নিতই থেকে যাবে, যা তাদের মতে অযৌক্তিক।


জামায়াতের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ২০০২ সালে খালেদা জিয়া সরকারের সময় প্রণীত আইনে এসব দলকে পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। তারা দাবি করেন, রাজনৈতিক দলকে সশস্ত্র বাহিনীর সহযোগী হিসেবে চিহ্নিত করা ফ্যাসিবাদী রাজনীতির প্রতিফলন। পাশাপাশি ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ ও মুক্তিযুদ্ধের সংজ্ঞায় পরিবর্তনের দাবিও জানান তারা।