সর্বশেষ
Netanyahu sees Lebanon as his last chance for a ‘win’Israel’s High Court hears petitions to oust Ben-Gvirদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Is Iran beating the US at its own propaganda game?দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, UN experts urge member states to suspend Israel arms transfersBlood, Sweat and Sugarএবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগNetanyahu sees Lebanon as his last chance for a ‘win’Israel’s High Court hears petitions to oust Ben-Gvirদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Is Iran beating the US at its own propaganda game?দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, UN experts urge member states to suspend Israel arms transfersBlood, Sweat and Sugarএবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগ
Live Bangla Logo

আ.লীগের তৈরি করা তেল মজুত রাখার এসপিএম ব্যবহার করলে তেল সংকট দেখা দিতো না!

প্রকাশিত: ১০ এপ্রিল, ২০২৬
আ.লীগের তৈরি করা তেল মজুত রাখার এসপিএম ব্যবহার করলে তেল সংকট দেখা দিতো না!

সাগরে বড় জাহাজ থেকে সরাসরি পাইপলাইনে তেল খালাস ও পরিবহন করতে আট হাজার কোটি টাকার বেশি খরচে কক্সবাজারের মহেশখালীতে নির্মিত বিশাল অবকাঠামো দীর্ঘদিন ফেলে রেখেছে বাংলাদেশ। কাজে আসছে না মজুত সক্ষমতাও। 

সিঙ্গেল পয়েন্ট ম্যুরিং বা এসপিএম প্রকল্পে অবকাঠামোর নির্মাণকাজ ২০২৪ সালে শেষ হলেও শুধু অপারেটর নিয়োগ করে সেটি এখনো চালু করা যায়নি।



তেলের বাজারে অস্থিরতা এবং বাংলাদেশে মজুত সক্ষমতা নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষিতে এ প্রকল্পটির গুরুত্ব সামনে এসেছে। 

মহেশখালীতে নির্মিত অবকাঠামোতে বাংলাদেশের বর্তমান চাহিদার প্রায় এক মাসের ক্রুড অয়েল ও এক সপ্তাহের ডিজেলের মজুত রাখার মতো ছয়টি তেলের ট্যাংক খালি পড়ে আছে।

বিদেশ থেকে আমদানি করা জ্বালানি তেল সরাসরি খালাস করতে বঙ্গোপসাগরে ভাসমান বয়া, পরিবহনের জন্য ২২০ কিলামিটার পাইপলাইন ও দুই লাখ টন তেলের মজুত রাখার স্টোরেজ ট্যাংক নির্মাণ করা হয়।



এ অবকাঠামো পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারলে সাগরে তেল খালাস ও পরিবহনে বছরে ৮০০ কোটি টাকার মতো সাশ্রয় হওয়ার কথা। সমস্ত অবকাঠামো প্রস্তুত থাকলেও শুধু পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের ঠিকাদার নিয়োগ করতে না পারায় আট হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে নির্মিত বিশাল অবকাঠামো প্রায় দুই বছর অলস পড়ে আছে।



জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলমান তেল সংকটে এই অবকাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারতো।‌ পাইপলাইনে তেল খালাস করতে পারলে বর্তমান তেল সংকটে একদিকে অর্থ এবং সময়ের অপচয় যেমন হতো না, একই সাথে তেলের মজুত সক্ষমতা কাজে লাগাতে পারলে সংকটকালে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যেত।