সর্বশেষ
Netanyahu sees Lebanon as his last chance for a ‘win’Israel’s High Court hears petitions to oust Ben-Gvirদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Is Iran beating the US at its own propaganda game?দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, UN experts urge member states to suspend Israel arms transfersBlood, Sweat and Sugarএবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগNetanyahu sees Lebanon as his last chance for a ‘win’Israel’s High Court hears petitions to oust Ben-Gvirদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Is Iran beating the US at its own propaganda game?দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, UN experts urge member states to suspend Israel arms transfersBlood, Sweat and Sugarএবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগ
Live Bangla Logo

বিএনপি সরকার মাত্র দেড় মাসেই ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা।

প্রকাশিত: ১১ এপ্রিল, ২০২৬
বিএনপি সরকার মাত্র দেড় মাসেই ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা।

ক্ষমতায় আসার পর স্বল্প সময়েই সরকারের ব্যাংক ঋণ নেওয়ার প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে, যা অর্থনীতিতে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, নতুন সরকারের দেড় মাসেই ব্যাংক খাত থেকে প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে। আর সর্বশেষ তিন মাসে (জানুয়ারি–মার্চ) এই পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৬ হাজার কোটি টাকায়। অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের তুলনায় এই ঋণ গ্রহণের গতি আরও বেশি।


সামগ্রিকভাবে চলতি অর্থবছরের নয় মাসে সরকারের ব্যাংক ঋণ প্রায় ১ লাখ ৯ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা পুরো অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রাকেও ছাড়িয়ে গেছে। আর ২০২৪ সালের ১ আগস্ট থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত মোট ব্যাংক ঋণ বেড়েছে প্রায় পৌনে দুই লাখ কোটি টাকা।


অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতি এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে সরকারের ব্যয় মেটাতে ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। অর্থবছরের আট মাসেই রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ৭১ হাজার কোটি টাকা। একই সময়ে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে স্থবিরতা থাকায় অর্থনীতির গতি কমে গেছে।


ড. মোস্তাফিজুর রহমান মনে করেন, ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা দেশকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। তার মতে, “ঋণ ফাঁদ এড়াতে হলে রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।”


ব্যবসায়ীরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

মোহাম্মদ হাতেম বলেন, অতিরিক্ত ব্যাংক ঋণ ভবিষ্যতে পরিশোধের ক্ষেত্রে সরকারকে সংকটে ফেলতে পারে এবং অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়াবে।


অন্যদিকে তাসকীন আহমেদ জানিয়েছেন, ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট ইতোমধ্যেই প্রকট আকার ধারণ করেছে। তার মতে, প্রায় অর্ধেক ব্যাংক মূলধন ঘাটতিতে রয়েছে এবং নতুন ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা হারাচ্ছে, ফলে বেসরকারি খাতেও অর্থায়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।


বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, সরকার যদি একইভাবে ব্যাংক খাত থেকে আগ্রাসী ঋণ নিতে থাকে, তাহলে বেসরকারি বিনিয়োগ আরও কমে যেতে পারে এবং প্রবৃদ্ধির গতি দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।