সর্বশেষ
Netanyahu sees Lebanon as his last chance for a ‘win’Israel’s High Court hears petitions to oust Ben-Gvirদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Is Iran beating the US at its own propaganda game?দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, UN experts urge member states to suspend Israel arms transfersBlood, Sweat and Sugarএবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগNetanyahu sees Lebanon as his last chance for a ‘win’Israel’s High Court hears petitions to oust Ben-Gvirদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Is Iran beating the US at its own propaganda game?দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, UN experts urge member states to suspend Israel arms transfersBlood, Sweat and Sugarএবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগ
Live Bangla Logo

হাঙ্গেরীতে ১৬ বছর পর সরকার পরিবর্তন

প্রকাশিত: ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
হাঙ্গেরীতে ১৬ বছর পর সরকার পরিবর্তন

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৯৮ শতাংশ ভোট গণনা শেষে দেখা গেছে, তিসজা পেয়েছে ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট, যেখানে ফিদেজ পেয়েছে ৩৭ দশমিক ৮ শতাংশ।


প্রাথমিক হিসাবে ১৯৯ সদস্যের পার্লামেন্টে তিসজা প্রায় ১৩৮টি আসন পেতে যাচ্ছে, যা সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে পারে।


বিরোধী নেতা পিটার ম্যাগিয়ার-এর এ জয়কে হাঙ্গেরির রাজনীতিতে বড় ধরনের পালাবদল হিসেবে দেখা হচ্ছে। পরাজয় স্বীকার করেছেন প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান এবং ফোন করে ম্যাগিয়ারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।


রোববার (১২ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে পিটার ম্যাগিয়ার বলেন, তাকে ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান।


জয় নিশ্চিত হওয়ার পর রাজধানী বুদাপেস্ট-এ দানিউব নদী-এর তীরে সমবেত সমর্থকদের উদ্দেশে ভাষণে ম্যাগিয়ার বলেন, ভোটাররা নতুন ইতিহাস লিখেছেন।


তিনি বলেন, ‘আজ রাতে মিথ্যার ওপর সত্য বিজয়ী হয়েছে। আজ আমরা জিতেছি, কারণ হাঙ্গেরির মানুষ তাদের মাতৃভূমি তাদের জন্য কী করতে পারে—এটা জিজ্ঞাসা করেনি; বরং তারা জিজ্ঞাসা করেছে, তারা তাদের মাতৃভূমির জন্য কী করতে পারে।’


এদিকে ভিক্টর অরবান দীর্ঘদিন ধরে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভ্লাদিমির পুতিন-এর ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার পরাজয় ইউরোপীয় রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ইউরোপীয় ইউনিয়ন-এর সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং মস্কোর প্রভাব কমানো নতুন সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।