সর্বশেষ
Netanyahu sees Lebanon as his last chance for a ‘win’Israel’s High Court hears petitions to oust Ben-Gvirদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Is Iran beating the US at its own propaganda game?দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, UN experts urge member states to suspend Israel arms transfersBlood, Sweat and Sugarএবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগNetanyahu sees Lebanon as his last chance for a ‘win’Israel’s High Court hears petitions to oust Ben-Gvirদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Is Iran beating the US at its own propaganda game?দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, UN experts urge member states to suspend Israel arms transfersBlood, Sweat and Sugarএবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগ
Live Bangla Logo

বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন

প্রকাশিত: ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি খাত অস্থির। এর প্রভাবে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে খরচ বেড়েছে। এখন বাড়তি খরচের চাপ সামলাতে বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করতে চায় সরকার। এ জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের বিষয়ে প্রস্তাব দেবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অর্থমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে গঠিত এ কমিটিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী এবং বাণিজ্যমন্ত্রী সদস্য হিসেবে থাকছেন। এ ছাড়া অর্থ বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিবেরা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। ৯ এপ্রিল এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এতে বলা হয়, চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান সংকট সমাধানে বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা মূল্যহার সমন্বয়ের বিষয়ে প্রস্তাব প্রদানের জন্য এ কমিটি করা হয়েছে। মূল্যহার সমন্বয়ের বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করে মন্ত্রিসভা বৈঠকে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেবে কমিটি।

কমিটিতে প্রয়োজনে অতিরিক্ত সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রাখা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং বিদ্যুৎ বিভাগ এ কমিটির প্রশাসনিক সহায়তা দেবে।

প্রসঙ্গত, চুক্তি অনুসারে নির্ধারিত দামে সব বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনে নেয় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। এরপর তারা এটি ছয়টি বিতরণ সংস্থার কাছে পাইকারি দামে বিক্রি করে। বিতরণ সংস্থাগুলো খুচরা পর্যায়ে ভোক্তার কাছে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। উৎপাদন খরচ ও পাইকারি পর্যায়ে দামের মধ্যে ঘাটতি থাকায় সরকার নিয়মিত ভর্তুকি দেয়। আইন অনুসারে, সরকারের পক্ষ থেকে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হলে পিডিবি ও বিতরণ সংস্থা বিইআরসির কাছে দাম বাড়ানোর আবেদন করতে হবে। এরপর এসব প্রস্তাব নিয়ে গণশুনানি করতে পারে বিইআরসি।

এ নিয়ে ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা এম শামসুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, বিদ্যুৎ খাতে লুটপাট করে, বাড়তি খরচ করে ঘাটতি তৈরি করা হয়েছে। এ ঘাটতি ধরে দাম সমন্বয়ের সুযোগ নেই। আগে ঘাটতির বৈধতা নিরূপণ করতে হবে, অপ্রয়োজনীয় খরচ বাদ দিতে হবে। এরপর ঘাটতি থাকলে তা নিয়ে শুনানি হতে পারে। এ ছাড়া মূল্যবৃদ্ধির প্রক্রিয়া মেনে নেবে না ভোক্তারা।