সর্বশেষ
Netanyahu sees Lebanon as his last chance for a ‘win’Israel’s High Court hears petitions to oust Ben-Gvirদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Is Iran beating the US at its own propaganda game?দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, UN experts urge member states to suspend Israel arms transfersBlood, Sweat and Sugarএবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগNetanyahu sees Lebanon as his last chance for a ‘win’Israel’s High Court hears petitions to oust Ben-Gvirদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Is Iran beating the US at its own propaganda game?দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, UN experts urge member states to suspend Israel arms transfersBlood, Sweat and Sugarএবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগ
Live Bangla Logo

ট্রাম্প বললেন, পোপ লিওকে সমালোচনার পর ক্ষমা করবেন না

প্রকাশিত: ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
ট্রাম্প বললেন, পোপ লিওকে সমালোচনার পর ক্ষমা করবেন না

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার পোপ লিও চতুর্দশের বিরুদ্ধে তাঁর যুদ্ধবিরোধী মনোভাব প্রকাশের পর ক্ষমা করতে অস্বীকার করেছেন। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের বিরোধিতা করার জন্য পোপকে সমালোচনা করায় ট্রাম্প এই অবস্থান নিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি তাঁর বক্তব্য থেকে সরে আসবেন না এবং পোপের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

একই সঙ্গে ট্রাম্প একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা একটি ছবি সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, যেখানে তাকে যীশুর মতো দেখানো হয়েছিল। তিনি জানান, তিনি ভুলবশত মনে করেছিলেন ছবিটি তাঁকে একজন চিকিৎসক হিসেবে দেখাচ্ছে, তাই সেটি পোস্ট করেছিলেন। পরে এই পোস্টটি মুছে ফেলা হয়, তবে বিষয়টি ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ট্রাম্পের মন্তব্যকে "অগ্রহণযোগ্য" হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ধর্মীয় নেতাদের বিরুদ্ধে এমন ধরনের মন্তব্য আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও সংবেদনশীলতার পরিপন্থী। এই ঘটনার ফলে ইউরোপীয় রাজনীতিতেও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই অবস্থান তাঁর রাজনৈতিক কৌশলের অংশ, যা তাঁর সমর্থকদের মধ্যে প্রতিধ্বনি সৃষ্টি করতে পারে। তবে একই সঙ্গে এটি বিশ্ব রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে জটিলতর করতে পারে। বিশেষ করে ধর্মীয় ও নৈতিক বিষয়গুলোতে এই ধরনের বিতর্ক রাষ্ট্রীয় সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এই ঘটনা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের নজরে এসেছে এবং বিশ্বব্যাপী ধর্ম ও রাজনীতির সংমিশ্রণে নতুন বিতর্কের সূচনা করেছে। ট্রাম্পের বক্তব্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন দেশের নেতারা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, যা ভবিষ্যতে এই ইস্যুতে আরও আলোচনার সুযোগ তৈরি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।