সর্বশেষ
Netanyahu sees Lebanon as his last chance for a ‘win’Israel’s High Court hears petitions to oust Ben-Gvirদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Is Iran beating the US at its own propaganda game?দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, UN experts urge member states to suspend Israel arms transfersBlood, Sweat and Sugarএবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগNetanyahu sees Lebanon as his last chance for a ‘win’Israel’s High Court hears petitions to oust Ben-Gvirদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Is Iran beating the US at its own propaganda game?দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, UN experts urge member states to suspend Israel arms transfersBlood, Sweat and Sugarএবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগ
Live Bangla Logo

বৈশাখী শোভাযাত্রায় ডিএমপির সুসজ্জিত অশ্বারোহী দল

প্রকাশিত: ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
বৈশাখী শোভাযাত্রায় ডিএমপির সুসজ্জিত অশ্বারোহী দল

পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত বর্ণিল বৈশাখী শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সুসজ্জিত অশ্বারোহী দল। শোভাযাত্রার সামনের সারিতে অবস্থান করা এই দলটি ঘোড়ায় আরোহী পুলিশ সদস্যদের শৃঙ্খলাবদ্ধ উপস্থিতি প্রদর্শন করে উৎসবের মরসুমে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ৯টায় শুরু হওয়া শোভাযাত্রায় ডিএমপির অশ্বারোহী ইউনিটের নেতৃত্ব দেন পুলিশের উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, এবারের আয়োজনে মোট ২০টি বিশেষ প্রশিক্ষিত ‘থ্রোব্রেড রাইডিং হর্স’ অংশ নিয়েছে, যেগুলো গতিশীলতা, সহনশীলতা এবং নিয়ন্ত্রিত আচরণের জন্য পরিচিত। এসব ঘোড়া এবং তাদের আরোহীরা শোভাযাত্রার পরিবেশকে 더욱 প্রাণবন্ত ও সুশৃঙ্খল করে তুলেছে।

দর্শনার্থীরা অশ্বারোহী দলটিকে ঘনিষ্ঠ থেকে দেখার জন্য উৎসাহ প্রকাশ করেছেন। কেউ ছবি তোলায় ব্যস্ত ছিলেন, আবার অনেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ঘোড়াগুলোর কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। তাদের এই আগ্রহ ও উচ্ছ্বাস শোভাযাত্রার আনন্দকে দ্বিগুণ করেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে ঢোল-বাদ্যের তালে শুরু হওয়া এই বৈশাখী শোভাযাত্রায় বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে পাঁচটি লোকজ মোটিফ—মোরগ, বেহালা, পায়রা, হাতি ও ঘোড়া। এগুলো বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বহুমাত্রিক প্রতীক হিসেবে শক্তি, সৃজন, শান্তি, গৌরব ও গতিময়তার অনুষঙ্গ বহন করে।

শোভাযাত্রার পরিবেশ আরও প্রাণবন্ত করতে ৩৫ জন বাদ্যযন্ত্রশিল্পী অংশগ্রহণ করেন, যাদের সুরে মিলেমিশে প্রতিটি পদক্ষেপে বাংলার নববর্ষের উৎসবমুখর ভাব ফুটে উঠে। এ অনুষ্ঠানে প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে জাতীয় পতাকা বহন করেন, যা ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার সুমধুর সংমিশ্রণ ঘটিয়েছে।