সর্বশেষ
Netanyahu sees Lebanon as his last chance for a ‘win’Israel’s High Court hears petitions to oust Ben-Gvirদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Is Iran beating the US at its own propaganda game?দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, UN experts urge member states to suspend Israel arms transfersBlood, Sweat and Sugarএবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগNetanyahu sees Lebanon as his last chance for a ‘win’Israel’s High Court hears petitions to oust Ben-Gvirদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Is Iran beating the US at its own propaganda game?দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, UN experts urge member states to suspend Israel arms transfersBlood, Sweat and Sugarএবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগ
Live Bangla Logo

ইরানের বন্দর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে রাশিয়ার সতর্কবার্তা

প্রকাশিত: ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
ইরানের বন্দর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে রাশিয়ার সতর্কবার্তা

রাশিয়ার ক্রেমলিন ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য অবরোধকে নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে। তারা বলেছে, এই ধরনের পদক্ষেপ বিশ্ববাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। রুশ প্রেসিডেন্ট কার্যালয় এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিস্তারিত এখনো স্পষ্ট নয়, তবে এতে ইরান-সংযুক্ত জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ বা হরমুজ প্রণালী ঘিরে বড় ধরনের অবরোধের আশঙ্কা রয়েছে।

রাশিয়া ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম গ্রহণের প্রস্তাব এখনও কার্যকর আছে জানিয়ে দিয়েছে, যদিও এ বিষয়ে মস্কো এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পায়নি। একই সঙ্গে তারা সব পক্ষকে উত্তেজনা বৃদ্ধি করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে, কারণ এই ধরনের পদক্ষেপ অঞ্চলজুড়ে সংকটকে আরও তীব্র করতে পারে।

এর আগে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার পর কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। আলোচনার ব্যর্থতার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরগামী জাহাজ চলাচলে অবরোধ আরোপের ঘোষণা দেয়, যা ইরানের পক্ষ থেকে কঠোর প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। ইরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তাদের বন্দরগুলোকে লক্ষ্য করে কোনো আক্রমণ বা অবরোধের পদক্ষেপ নেওয়া হলে উপসাগরীয় অঞ্চল এবং ওমান সাগরের অন্যান্য বন্দরও নিরাপদ থাকবে না।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে তা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটাতে পারে এবং আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানির পথ হিসেবে বিবেচিত হওয়ায়, এখানে অবরোধ বা সংঘাত আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির কারণ হতে পারে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা আরও জোরদার হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে সংলাপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করতে হবে, যাতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমিত হয় এবং বিশ্ব অর্থনীতি সুরক্ষিত থাকে।