সর্বশেষ
Netanyahu sees Lebanon as his last chance for a ‘win’Israel’s High Court hears petitions to oust Ben-Gvirদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Is Iran beating the US at its own propaganda game?দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, UN experts urge member states to suspend Israel arms transfersBlood, Sweat and Sugarএবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগNetanyahu sees Lebanon as his last chance for a ‘win’Israel’s High Court hears petitions to oust Ben-Gvirদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, Is Iran beating the US at its own propaganda game?দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানা গেছে, UN experts urge member states to suspend Israel arms transfersBlood, Sweat and Sugarএবারের বিশ্বকাপ কি খেলতে পারবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারসস্টার নেইমার?ইরান যুদ্ধের কারণে পেছাল এশিয়ান কাপের ড্রআসামে সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলায় সিপিজের উদ্বেগ
Live Bangla Logo

আল-আকসা থেকে ৩ মুসল্লি ‘আটক’, ‘অজ্ঞাত স্থানে’ নিয়ে গেল ইসরাইলি বাহিনী

প্রকাশিত: ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
আল-আকসা থেকে ৩ মুসল্লি ‘আটক’, ‘অজ্ঞাত স্থানে’ নিয়ে গেল ইসরাইলি বাহিনী

রোববার দখলকৃত জেরুজালেমে অবস্থিত আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণের ভেতর থেকে দুই নারী ও একজন কর্মীকে ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনী গ্রেপ্তার করেছে। মুসল্লি ও মসজিদের কর্মীদের বিরুদ্ধে এই ধরনের গ্রেপ্তার ও অভিযান সম্প্রতি ক্রমবর্ধমান হচ্ছে, যা মসজিদটির পবিত্রতা ও নিরাপত্তাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করছে।

গ্রেপ্তারকৃত দুই নারীকে আল-আকসা প্রাঙ্গণের মধ্যেই আটক করা হয় এবং পরে তাদের ‘অজ্ঞাত স্থানে’ নিয়ে যাওয়া হয়। একই সঙ্গে, মসজিদের পরিচ্ছন্নতা বিভাগের প্রধান রায়েদ জাগিরকেও মসজিদ প্রাঙ্গণে অবস্থানকালে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনাগুলো ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ধরা হচ্ছে।

গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টা আগে ইসরাইলের চরম ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ভারী পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে আল-আকসা মসজিদে অভিযান পরিচালনা করেন। বেন-গভির ২০২২ সালের শেষ দিকে এই পদে আসার পর থেকে মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা ও মুসল্লিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

২০০৩ সাল থেকে ইসরাইলি পুলিশ দখলকৃত জেরুজালেমের এই পবিত্র স্থানটিতে ইসরাইলি বসতিপ্রতিষ্ঠানকারীদের প্রবেশের অনুমতি দিয়ে আসছে, যা ইসলামিক ওয়াকফ কর্তৃপক্ষের তীব্র আপত্তির মুখে পড়েছে। তারা বারবার এই প্রবেশাধিকার বাতিলের দাবি জানিয়েছে, কারণ এটি মসজিদের পবিত্রতা ও ঐতিহ্যের জন্য হুমকি স্বরূপ।

আল-আকসা মসজিদ মুসলমানদের জন্য বিশ্বের তৃতীয় পবিত্র স্থান হিসেবে গণ্য। অন্যদিকে, ইহুদিরা এই স্থানটিকে ‘টেম্পল মাউন্ট’ নামে পরিচিত এবং দাবি করে যে, এখানে প্রাচীনকালে দুটি ইহুদি মন্দির ছিল। তারা দীর্ঘদিন যাবত তৃতীয় মন্দির নির্মাণের পরিকল্পনাও হাতে রেখেছে।

ফিলিস্তিনিরা মনে করেন, ইসরাইল পূর্ব জেরুজালেমকে ইহুদীকরণের মাধ্যমে তাদের আরব ও ইসলামি পরিচয় মুছে ফেলার চেষ্টা করছে। তারা এই অঞ্চলে তাদের ভবিষ্যত রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে জেরুজালেমকে বিবেচনা করে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও ১৯৬৭ সালের পর থেকে ইসরাইলের এই দখল ও ১৯৮০ সালের সংযুক্তিকরণকে বৈধতা দেয়নি।