সর্বশেষ
৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার পলাতক আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেন আটকঢাকা-সিলেট রুটে আসছে বিরতিহীন ট্রেন ‘টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস’গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগ-যুবলীগের মিছিল থামাতে গিয়েছিল বিএনপি, নেতাকর্মীদের মেরে মোটরসাইকেলে আগুন দিলো ছাত্রলীগ ; আটক ১৯৫ আগস্ট উদ্বোধন হচ্ছে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’আল্লামা মামুনুল হকের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তার সৌজন্য সাক্ষাৎ‘এখনই আমি মরতে পারি না’ বলার কিছুক্ষণ পরই ইজরায়েলপন্থী মার্কিন সিনেটরের মৃত্যু।সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন।শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে টিএসসিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান, ঢাবিতে বিজিবি মোতায়েন৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার পলাতক আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেন আটকঢাকা-সিলেট রুটে আসছে বিরতিহীন ট্রেন ‘টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস’গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগ-যুবলীগের মিছিল থামাতে গিয়েছিল বিএনপি, নেতাকর্মীদের মেরে মোটরসাইকেলে আগুন দিলো ছাত্রলীগ ; আটক ১৯৫ আগস্ট উদ্বোধন হচ্ছে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’আল্লামা মামুনুল হকের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তার সৌজন্য সাক্ষাৎ‘এখনই আমি মরতে পারি না’ বলার কিছুক্ষণ পরই ইজরায়েলপন্থী মার্কিন সিনেটরের মৃত্যু।সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন।শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে টিএসসিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান, ঢাবিতে বিজিবি মোতায়েন
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

২৫ বছর পরও নিষ্পত্তি হয়নি রমনা বটমূলে বোমা হামলার হত্যা মামলা

প্রকাশিত: ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
২৫ বছর পরও নিষ্পত্তি হয়নি রমনা বটমূলে বোমা হামলার হত্যা মামলা

২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বোমা হামলার পর দায়ের করা হত্যা মামলাটি দীর্ঘ ২৫ বছর পেরিয়ে গেলেও শেষ হতে পারেনি। ওই ঘটনায় ১০ জন নিহত হন এবং ঘটনাটি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক সহিংসতার একটি মর্মান্তিক অধ্যায় হয়ে রয়েছে।

বোমা হামলার সাত বছর পর, ২০০৮ সালে পুলিশি তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি ১৪ জনকে আসামি করে হত্যা এবং বিস্ফোরক আইনে মামলা দায়ের করে। তবে বিচার প্রক্রিয়া জটিলতা, দীর্ঘসূত্রতা এবং একাধিক রিটার্ন ও আপিলের কারণে মামলাটি এখনও নিষ্পত্তিপ্রাপ্ত হয়নি।

বিচারাধীন মামলাটির অধিকাংশ দিক কাঠামোগত ও আইনি জটিলতায় আটকে রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে চলমান প্রক্রিয়ায় সাক্ষী ও বিচারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে এবং আসামিদের উপস্থিতি ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনাও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে দুর্ঘটনাটির বিচারিক নিষ্পত্তি ও ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি এখনও পূরণ হয় নি, যা নিহতদের পরিবার ও ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের মাঝে দুঃখ ও হতাশা সৃষ্টি করেছে।

এই মামলার দ্রুত ও সুষ্ঠু সমাধান দাবিতে সমাজের বিভিন্ন স্তর থেকে আন্দোলন ও প্রতিকারমূলক উদ্যোগ নিতে বলা হচ্ছে। যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের বর্বরতা আর কখনো সংঘটিত না হতে পারে এবং সকল ক্ষতিগ্রস্ত ও সমাজ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে।

বিস্তারিত