সর্বশেষ
“কাঁটাতারের বেড়া দেয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ‍্যানেলে আলোচনা হবে। আমাদের কনসার্ন নিরাপত্তা এবং যেন পুশইন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।”ইরানের ওপর পুনরায় আক্রমণ হলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু হবে: ইব্রাহিম।দ্বিতীয়বারের মতো আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।সিলেট গোলাপগঞ্জে অস্ত্রের মুখে ২০ লাখ টাকা ছিনতাই।একটা সময় দেখতাম সবাই আওয়ামী লীগ করে, আর এখন দেখি যে কেউ আওয়ামী লীগ করে না।বাংলাদেশে কখনোই ভারতীয় দলের জন্য নিরাপত্তা হুমকি ছিল নাপশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে হাটহাজারীতে বিক্ষোভলক্ষ্মীপুরে দুগ্ধপোষ্য শিশুসহ মা কারাগারে, গেইটের সামনে কাঁদছে ২ শিশু শিক্ষার্থী ।“কাঁটাতারের বেড়া দেয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ‍্যানেলে আলোচনা হবে। আমাদের কনসার্ন নিরাপত্তা এবং যেন পুশইন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।”ইরানের ওপর পুনরায় আক্রমণ হলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু হবে: ইব্রাহিম।দ্বিতীয়বারের মতো আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।সিলেট গোলাপগঞ্জে অস্ত্রের মুখে ২০ লাখ টাকা ছিনতাই।একটা সময় দেখতাম সবাই আওয়ামী লীগ করে, আর এখন দেখি যে কেউ আওয়ামী লীগ করে না।বাংলাদেশে কখনোই ভারতীয় দলের জন্য নিরাপত্তা হুমকি ছিল নাপশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে হাটহাজারীতে বিক্ষোভলক্ষ্মীপুরে দুগ্ধপোষ্য শিশুসহ মা কারাগারে, গেইটের সামনে কাঁদছে ২ শিশু শিক্ষার্থী ।
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

বাংলাদেশে উদারম্ভ পেলেন জাপান নেতৃত্বাধীন এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় শক্তি উদ্যোগ

প্রকাশিত: ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
বাংলাদেশে উদারম্ভ পেলেন জাপান নেতৃত্বাধীন এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় শক্তি উদ্যোগ

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমান জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি সানায়ে’র আমন্ত্রণে অনলাইনের মাধ্যমে আয়োজিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

এই সভায় জাপান নেতৃত্বাধীন একটি নতুন এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় শক্তি উদ্যোগের তুলে ধরার বিষয়ে আলোচনা হয়, যা অঞ্চলের শক্তি নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এবং এতে অংশগ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

উক্ত উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো নবায়নযোগ্য শক্তির বিভিন্ন প্রকল্পে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা, শক্তি অবকাঠামোর উন্নয়ন সাধন এবং পরিচ্ছন্ন শক্তির প্রসার ঘটানো। বাংলাদেশ সরকার বিশ্বাস করে, এর মাধ্যমে দেশব্যাপী ও প্রতিবেশী দেশসমূহে শক্তির অভাব কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে এবং দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পাবে।

প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমান তাঁর বক্তব্যে অঞ্চল অর্থনীতি ও দারিদ্র্য বিমোচনে এই ধরনের আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের শক্তি খাতে এমন একটি বহুজাতিক উদ্যোগ অংশগ্রহণ দেশকে শক্তি নিরাপত্তায় প্রভাবশালী ভূমিকা নিতে সহায়তা করবে।