সর্বশেষ
কল রেকর্ড নিয়ে বিরোধের জেরে সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগের হামলায় ছাত্রদলের আহত ১০সেনা প্রধানের উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটবিরোধী দলের ভাষা সংঘাতের দিকে না যাওয়ার আহ্বান ফখরুলেরবাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে ঢাকা সফরে আগ্রহ প্রকাশ করলেন ইউএই প্রেসিডেন্টজুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ৫ আগস্ট নয়াপল্টনে সমাবেশ করবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলঅসুস্থ বাবা ও প্রতিবন্ধী মায়ের সংসার চালাতেন আলিফ, চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ চাইল এনসিপিহবিগঞ্জে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী-সারজিস আলমসহ ১০ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামল।যশোরে গ্রেপ্তার শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন, চট্টগ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তরকল রেকর্ড নিয়ে বিরোধের জেরে সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগের হামলায় ছাত্রদলের আহত ১০সেনা প্রধানের উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটবিরোধী দলের ভাষা সংঘাতের দিকে না যাওয়ার আহ্বান ফখরুলেরবাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে ঢাকা সফরে আগ্রহ প্রকাশ করলেন ইউএই প্রেসিডেন্টজুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ৫ আগস্ট নয়াপল্টনে সমাবেশ করবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলঅসুস্থ বাবা ও প্রতিবন্ধী মায়ের সংসার চালাতেন আলিফ, চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ চাইল এনসিপিহবিগঞ্জে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী-সারজিস আলমসহ ১০ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামল।যশোরে গ্রেপ্তার শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন, চট্টগ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

সমুদ্রপথে শরণার্থীদের মৃত্যুর অন্ধকার পরিসংখ্যান ঘোষণা জাতিসংঘের

প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
সমুদ্রপথে শরণার্থীদের মৃত্যুর অন্ধকার পরিসংখ্যান ঘোষণা জাতিসংঘের

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা এক নতুন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যা উদ্বিগ্ন করে তুলেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মহলকে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর বঙ্গোপসাগর ও আন্দামান সাগরে প্রায় নয়শো রোহিঙ্গা শরণার্থী either মারা গেছেন বা নিখোঁজ রয়েছেন। এটি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সামুদ্রিক পথে শরণার্থী যাত্রার ইতিহাসে সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার মুখপাত্র বাবর বালুচ অঞ্চলটিকে 'হাজার হাজার отчаян রোহিঙ্গা শরণার্থীর জন্য অকথিত সমাধিক্ষেত্র' হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, গত দশ বছরে প্রায় পাঁচ হাজার রোহিঙ্গা সমুদ্রে ডুবে মারা গেছেন।

২০১৭ সালে মিয়ানমারে জাতিগত নিধন কর্মসূচীর আশঙ্কায় লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশসহ বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছিলেন। বর্তমানে বাংলাদেশে কক্সবাজারে অবস্থিত শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে তাদের সমর্থন কিছুটা কমে যাওয়ায় এবং সেখানে শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত থাকায় অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রপথে পলায়ন করছে।

২০২৬ সালের শুরু থেকে ইতোমধ্যে ২৮০০-এর বেশি রোহিঙ্গা ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথে যাত্রা করেছেন, মূলত বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের রাখাইন থেকে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত পৌঁছানোর আশায়। বাবর বালুচের মতে, অনেকের ইচ্ছা হলো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে মিয়ানমারে ফিরে যাওয়া, তবে চলমান সংঘাত, নির্যাতন ও নাগরিকত্বের অভাবে তাদের সেই আশা ভু বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশেষত সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যাত্রীদের বড় অংশই নারী ও শিশুরা যারা মানবপাচার ও শোষণের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে রয়েছে। চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম দিকে একটি অতিরিক্ত ভাড়া করা ট্রলার যা বাংলাদেশের টেকনাফ থেকে মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল, আন্দামান সাগরে বজ্রযোগে ডুবে যায়। এতে শতাধিক রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশি নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন, যদিও নৌবাহিনী কিছু লোককে বাঁচিয়েছে।

জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার আশা, এই মৃত্যুর রেকর্ড সামনে এনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আরও ত্বরণে সাবধানতা অবলম্বন করবে এবং রোহিঙ্গাদের দুর্দশা কাটাতে কার্যকর ব্যবস্থার পথে এগিয়ে আসবে। ২০২৬ সালে এই মর্মান্তিক ক্ষতি কমানোর জন্য তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যাবশ্যক বলে পরিবেশনারা উদ্বিগ্ন।