সর্বশেষ
৫ ই মে শাপলা চত্বরে বিএনপির ভুমিকা কি ছিলো বিবেচনা করা উচিত: নাহিদ।“কাঁটাতারের বেড়া দেয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ‍্যানেলে আলোচনা হবে। আমাদের কনসার্ন নিরাপত্তা এবং যেন পুশইন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।”ইরানের ওপর পুনরায় আক্রমণ হলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু হবে: ইব্রাহিম।দ্বিতীয়বারের মতো আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।সিলেট গোলাপগঞ্জে অস্ত্রের মুখে ২০ লাখ টাকা ছিনতাই।একটা সময় দেখতাম সবাই আওয়ামী লীগ করে, আর এখন দেখি যে কেউ আওয়ামী লীগ করে না।বাংলাদেশে কখনোই ভারতীয় দলের জন্য নিরাপত্তা হুমকি ছিল নাপশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে হাটহাজারীতে বিক্ষোভ৫ ই মে শাপলা চত্বরে বিএনপির ভুমিকা কি ছিলো বিবেচনা করা উচিত: নাহিদ।“কাঁটাতারের বেড়া দেয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ‍্যানেলে আলোচনা হবে। আমাদের কনসার্ন নিরাপত্তা এবং যেন পুশইন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।”ইরানের ওপর পুনরায় আক্রমণ হলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু হবে: ইব্রাহিম।দ্বিতীয়বারের মতো আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।সিলেট গোলাপগঞ্জে অস্ত্রের মুখে ২০ লাখ টাকা ছিনতাই।একটা সময় দেখতাম সবাই আওয়ামী লীগ করে, আর এখন দেখি যে কেউ আওয়ামী লীগ করে না।বাংলাদেশে কখনোই ভারতীয় দলের জন্য নিরাপত্তা হুমকি ছিল নাপশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে হাটহাজারীতে বিক্ষোভ
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

বুলগেরিয়ায় অস্থিরতায় আটতম সংসদীয় নির্বাচন: উত্তেজনা ও রাজনৈতিক দিশাহীনতা

প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
বুলগেরিয়ায় অস্থিরতায় আটতম সংসদীয় নির্বাচন: উত্তেজনা ও রাজনৈতিক দিশাহীনতা

বুলগেরিয়া আগামী রোববার অর্থাৎ ১৯ এপ্রিল তড়িৎ সংসদীয় নির্বাচন পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। গত চার বছরে দেশটিতে সপ্তমবারের মতো জাতীয় নির্বাচন হলেও, এবার এটি অষ্টম নির্বাচনের আসর হবে, যা রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিভাজনের প্রতিফলন। যুবরাজ্যের প্রায় ৬.৫ মিলিয়ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে ভোটারদের মধ্যে এক ধরনের আশঙ্কা ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে, কারণ সরকার গঠন এখন পর্যন্ত সুষ্ঠু সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি।

গত ডিসেম্বর দেশটির প্রধানমন্ত্রী রোসেন জেলিযাজকভের নেতৃত্বাধীন সরকার অর্থনৈতিক অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে টানা সমাবেশ ও বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে পদত্যাগ করে। এর আগেই সংসদে আস্থাভোট হারের মুখে সরকার পতনের আশঙ্কা ছিল। এই রাজনৈতিক সংকটের কারণে স্থগিত হয়ে যাওয়া সরকার গঠন প্রক্রিয়ায় ব্যর্থতার পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান প্রেসিডেন্ট এবং প্রাক্তন ভিপি রুমেন রাদেভ জানুয়ারিতে তড়িৎ নির্বাচনের ঘোষণা দেন।

স্থানে, প্রবল ভোটার প্রতিক্ষার মাঝে আংশিক জরিপ অনুযায়ী, নির্বাচনে ভোট দিতে নিম্নমধ্যবিত্ত এবং গ্রামীন জনগণ বেশ আগ্রহী। মোট ভোটারদের প্রায় ৬০ শতাংশ বা ৩.৩ মিলিয়ন ভোটার কেন্দ্রে উপস্থিত হওয়ার কথা বলে অনুমান করা হচ্ছে, যা আগের নির্বাচনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।

নির্বাচনে প্রধান দুই নেতার মধ্যে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট রুমেন রাদেভ, যিনি ‘প্রোগ্রেসিভ বুলগেরিয়া’ দলের হয়ে ভোট লড়বেন, এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বয়কো বোরিসোভ, তিনি কনজারভেটিভ দল ‘জেরব-ইউডিএফ’ থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। পাশাপাশি ‘কন্টিনিউ দ্য চেঞ্জ-ডেমোক্রেটিক বুলগেরিয়া’, ‘মুভমেন্ট ফোর রাইটস অ্যান্ড ফ্রিডমস (এমআরএফ)’, ‘বাজারাঝদানে’, ‘বিএসপি’ সহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলও তাদের প্রার্থী তালিকাভুক্ত করেছেন।

সর্বশেষ জরিপ অনুসারে, রাদেভের ‘প্রোগ্রেসিভ বুলগেরিয়া’ ৩৪.২ শতাংশ ভোটপ্রাপ্তিতে শীর্ষস্থানীয়, তারপরে বোরিসোভের দল রয়েছে ১৯.৫ শতাংশ ভোটের সঙ্গে। বুলগেরিয়ার রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই নির্বাচনে কোনও একটি দলের একচেটিয়া সরকার গঠনের প্রবণতা দেখা দিচ্ছে, কারণ নাগরিকেরা সহযোগী সরকারের ক্ষেত্রে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে হতাশ।

রাদেভ নিজেকে ক্ষমতাসীন দুর্নীতি ও মাফিয়া-শাসিত রাজনীতির কঠোর বিরোধী হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। নির্বাচনী সমাবেশে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছেন দুর্নীতিবাজদের ক্ষমতাচ্যুত করে জনগণের সেবা করা হবে। তবে রাদেভের পুতুলভাবে রাশিয়ার প্রতি সখ্যতার কারণে ভবিষ্যতে বুলগেরিয়ার ব্রাসেলস কিংবা পশ্চিমা নীতির সঙ্গে সম্পর্ক কিছুটা জটিল হতে পারে। তাঁকে পুতুলভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নে সমর্থনহীন এ অঞ্চল হিসেবে একটি সেতুবন্ধন রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বুলগেরিয়ার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা, যাতে করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সহায়তা দ্রুত কেন্দ্রীয় অবকাঠামো ও বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে ব্যয় করা যায়। এছাড়া, গ্রামীণ অঞ্চলে চলমান অর্থনৈতিক সংকট ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নাগরিকর জন্য অত্যন্ত জরুরি।

তারুণ্য ও কৃষকরা এই নির্বাচনে পরিবর্তনের আশায় রয়েছেন। তারা বিশ্বাস করেন যে রাদেভের নেতৃত্বে দেশ অটুট অবস্থানে পৌঁছাতে পারে, যার জন্য দরকার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও দৃঢ় কর্মপরিকল্পনা। তবে একই সঙ্গে বিদেশি প্রভাব বা মিথ্যাচারের উদ্বেগও জনমনে বিরাজ করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনৈতিক সেবা ও স্বাধীন গবেষণা সংস্থা এসব বিদেশি প্ররোচনা আটকাতে সচেষ্ট রয়েছে।

এই নির্বাচনের ফলাফল বুলগেরিয়ার রাজনৈতিক ভবিষ্যত নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং এটি সারা ইউরোপীয় অঞ্চলে একটি উদাহরণ হয়ে দাঁড়াতে পারে যে কিভাবে একটি দেশ দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণ ঘটাতে পারে।