সর্বশেষ
“কাঁটাতারের বেড়া দেয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ‍্যানেলে আলোচনা হবে। আমাদের কনসার্ন নিরাপত্তা এবং যেন পুশইন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।”ইরানের ওপর পুনরায় আক্রমণ হলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু হবে: ইব্রাহিম।দ্বিতীয়বারের মতো আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।সিলেট গোলাপগঞ্জে অস্ত্রের মুখে ২০ লাখ টাকা ছিনতাই।একটা সময় দেখতাম সবাই আওয়ামী লীগ করে, আর এখন দেখি যে কেউ আওয়ামী লীগ করে না।বাংলাদেশে কখনোই ভারতীয় দলের জন্য নিরাপত্তা হুমকি ছিল নাপশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে হাটহাজারীতে বিক্ষোভলক্ষ্মীপুরে দুগ্ধপোষ্য শিশুসহ মা কারাগারে, গেইটের সামনে কাঁদছে ২ শিশু শিক্ষার্থী ।“কাঁটাতারের বেড়া দেয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ‍্যানেলে আলোচনা হবে। আমাদের কনসার্ন নিরাপত্তা এবং যেন পুশইন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।”ইরানের ওপর পুনরায় আক্রমণ হলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু হবে: ইব্রাহিম।দ্বিতীয়বারের মতো আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।সিলেট গোলাপগঞ্জে অস্ত্রের মুখে ২০ লাখ টাকা ছিনতাই।একটা সময় দেখতাম সবাই আওয়ামী লীগ করে, আর এখন দেখি যে কেউ আওয়ামী লীগ করে না।বাংলাদেশে কখনোই ভারতীয় দলের জন্য নিরাপত্তা হুমকি ছিল নাপশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে হাটহাজারীতে বিক্ষোভলক্ষ্মীপুরে দুগ্ধপোষ্য শিশুসহ মা কারাগারে, গেইটের সামনে কাঁদছে ২ শিশু শিক্ষার্থী ।
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

লেবাননের যুদ্ধবিরতি কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপের নতুন দিগন্ত খুলবে?

প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
লেবাননের যুদ্ধবিরতি কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপের নতুন দিগন্ত খুলবে?

লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি উপকেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সম্ভাব্য শান্তিচুক্তির আলোচনা প্রসঙ্গে। এই যুদ্ধবিরতির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব সংকট কমিয়ে একটি ব্যাপক অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশাবাদী।

আল জাজিরার সাংবাদিক তোহিদ আসাদি বলেন, লেবাননের এই যুদ্ধবিরতি শুধু দুই পক্ষের সাময়িক সংঘর্ষ বন্ধ করাতেই ক্ষান্ত নয়, এটি বড় পরিসরের কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় এক ধরনের ইতিবাচক সংকেত হিসেবে কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা বিরাজ করে আসছিল, তা নিরসনে এই প্রেক্ষাপট নতুন দিক নির্দেশ করতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের কোথাও কোথাও ঘনঘন সংঘাত ও রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সরাসরি সংলাপ আটকে পড়েছিল। কিন্তু লেবাননের যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে এক নতুন কূটনৈতিক পরিবেশ গড়ে উঠতে পারে, যেখানে দ্বিপাক্ষিক এবং আঞ্চলিক শান্তির জন্য বিস্তৃত আলোচনা সম্ভব হবে।

নিরপেক্ষ দেশগুলোর সহায়তায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যদি এই যুদ্ধবিরতি সফলভাবে দীর্ঘস্থায়ী করে রাষ্ট্রীয় ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার পথে অগ্রসর হতে পারে, তা হলে এটি মধ্যপ্রাচ্যের শান্তিচুক্তির জন্য এক বড় মাইলফলক হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে।