সর্বশেষ
৫ ই মে শাপলা চত্বরে বিএনপির ভুমিকা কি ছিলো বিবেচনা করা উচিত: নাহিদ।“কাঁটাতারের বেড়া দেয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ‍্যানেলে আলোচনা হবে। আমাদের কনসার্ন নিরাপত্তা এবং যেন পুশইন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।”ইরানের ওপর পুনরায় আক্রমণ হলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু হবে: ইব্রাহিম।দ্বিতীয়বারের মতো আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।সিলেট গোলাপগঞ্জে অস্ত্রের মুখে ২০ লাখ টাকা ছিনতাই।একটা সময় দেখতাম সবাই আওয়ামী লীগ করে, আর এখন দেখি যে কেউ আওয়ামী লীগ করে না।বাংলাদেশে কখনোই ভারতীয় দলের জন্য নিরাপত্তা হুমকি ছিল নাপশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে হাটহাজারীতে বিক্ষোভ৫ ই মে শাপলা চত্বরে বিএনপির ভুমিকা কি ছিলো বিবেচনা করা উচিত: নাহিদ।“কাঁটাতারের বেড়া দেয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ‍্যানেলে আলোচনা হবে। আমাদের কনসার্ন নিরাপত্তা এবং যেন পুশইন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।”ইরানের ওপর পুনরায় আক্রমণ হলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু হবে: ইব্রাহিম।দ্বিতীয়বারের মতো আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।সিলেট গোলাপগঞ্জে অস্ত্রের মুখে ২০ লাখ টাকা ছিনতাই।একটা সময় দেখতাম সবাই আওয়ামী লীগ করে, আর এখন দেখি যে কেউ আওয়ামী লীগ করে না।বাংলাদেশে কখনোই ভারতীয় দলের জন্য নিরাপত্তা হুমকি ছিল নাপশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে হাটহাজারীতে বিক্ষোভ
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

দশ দিনের চলমান যুদ্ধবিরতি শেষে লেবাননে বাড়ি ফেরা শুরু, শান্তির মরশুম শুরু

প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
দশ দিনের চলমান যুদ্ধবিরতি শেষে লেবাননে বাড়ি ফেরা শুরু, শান্তির মরশুম শুরু

ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে দশ দিনের জন্য নির্ধারিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ায় দক্ষিণ লেবাননের মানুষজন তাদের বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন। দীর্ঘদিনের সংঘর্ষ ও সন্ত্রাসবাদের কারণে বহু পরিবার অনিবার্যভাবে স্থানান্তরিত হয়ে পড়েছিলো।

সরকারি কর্তৃপক্ষ তাদের নিরাপত্তার জন্য সাবধানতামূলক সতর্কতা জারি করলেও সেখানকার বাসিন্দারা প্রত্যাবাসনের পথে এগিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই যুদ্ধবিরতির ফলে এলাকার মানুষের মাঝে শান্তি ও স্থিতিশীলতার আশার আলো জ্বলে উঠেছে।

স্থানীয় প্রশাসন এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলো পরিস্থিতি মনিটর করে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়ে চলেছেন যাতে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়। বিশ্লেষকদের মতে, এ অবস্থার স্থায়িত্ব ভবিষ্যতের শান্তি আলোচনার জন্য এক ইতিবাচক সিগন্যাল হিসেবে কাজ করবে।

পর্বতীয় ও সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলে পুনরায় সাধারণ জনজীবন ফিরে আনার চেষ্টা চলছে, যা লেবাননের জন্য একটি সামগ্রিক উন্নতির পথ খুলে দিতে পারে। যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকেই বহু পরিবার স্বজনদের সঙ্গে পুনর্মিলনের আনন্দে মেতে উঠেছে।