সর্বশেষ
৫ ই মে শাপলা চত্বরে বিএনপির ভুমিকা কি ছিলো বিবেচনা করা উচিত: নাহিদ।“কাঁটাতারের বেড়া দেয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ‍্যানেলে আলোচনা হবে। আমাদের কনসার্ন নিরাপত্তা এবং যেন পুশইন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।”ইরানের ওপর পুনরায় আক্রমণ হলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু হবে: ইব্রাহিম।দ্বিতীয়বারের মতো আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।সিলেট গোলাপগঞ্জে অস্ত্রের মুখে ২০ লাখ টাকা ছিনতাই।একটা সময় দেখতাম সবাই আওয়ামী লীগ করে, আর এখন দেখি যে কেউ আওয়ামী লীগ করে না।বাংলাদেশে কখনোই ভারতীয় দলের জন্য নিরাপত্তা হুমকি ছিল নাপশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে হাটহাজারীতে বিক্ষোভ৫ ই মে শাপলা চত্বরে বিএনপির ভুমিকা কি ছিলো বিবেচনা করা উচিত: নাহিদ।“কাঁটাতারের বেড়া দেয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ‍্যানেলে আলোচনা হবে। আমাদের কনসার্ন নিরাপত্তা এবং যেন পুশইন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।”ইরানের ওপর পুনরায় আক্রমণ হলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু হবে: ইব্রাহিম।দ্বিতীয়বারের মতো আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।সিলেট গোলাপগঞ্জে অস্ত্রের মুখে ২০ লাখ টাকা ছিনতাই।একটা সময় দেখতাম সবাই আওয়ামী লীগ করে, আর এখন দেখি যে কেউ আওয়ামী লীগ করে না।বাংলাদেশে কখনোই ভারতীয় দলের জন্য নিরাপত্তা হুমকি ছিল নাপশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে হাটহাজারীতে বিক্ষোভ
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

পরমাণু সংলাপের প্রান্তে: হারমুজের সংকট ও তথ্যযুদ্ধের ঘূর্ণিঝড়

প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
পরমাণু সংলাপের প্রান্তে: হারমুজের সংকট ও তথ্যযুদ্ধের ঘূর্ণিঝড়

হারমুজ সাগরসন্ধি অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার একটি সংকটপূর্ণ সাময়িক যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুতলে স্থিতিশীলতা রক্ষা করলেও, তথ্যযুদ্ধের টানাপোড়েন এখন তীব্রতর হচ্ছে। স্ট্রেইট অব হারমুজ, পারস্য উপসাগর ও আরব সাগরের সাথে সংযুক্ত এই সংযোগস্থলটি বর্তমানে কূটনৈতিক ও কৌশলগত গুরুত্বের কেন্দ্রে রয়েছে, যেখানে দুই পক্ষের কর্তৃপক্ষগত সঙ্গত এবং প্রতিপক্ষের বর্ণনা ও প্রচারাভিযান সংঘর্ষে লিপ্ত।

যুদ্ধবিরতি মানেই রয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকার শান্তি এবং বোমাবৃষ্টি বন্ধ, কিন্তু তথ্য-প্রচারের লড়াই থামে না। সাংবাদিকতার জন্য এই মুহূর্তগুলো বিশেষ চ্যালেঞ্জ স্বরূপ, কারণ তাদের কাজ শুধু উভয় পক্ষের প্রচারিত বার্তা সংবেদনশীলভাবে পরিবেশন করাই নয়, বরং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে তথ্য বিকৃতি ও মিথ্যাচারের সত্যতা নির্ণয় এবং তা উন্মোচন করাও। এটি ‘দ্য লিসেনিং পোস্ট’ এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন ‘হারমুজ: স্পিন ইন দ্য স্ট্রেইট’ বিশ্লেষণ করেছে।

এই প্রতিবেদনে আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব শরজাহার মিডিয়া ও সাংবাদিকতা বিভাগীয় অধ্যাপক আবীর আল নাজ্জার, ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের আরব ও গ্লোবাল ইতিহাসের অধ্যাপক অ্যান্ড্রু আরসান, শিকাগো ইউনিভার্সিটির ইসলামী অধ্যয়নের সহযোগী অধ্যাপক আলিরেজা দোস্তদার এবং নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রাক্তন তেহরান কোরেসপন্ডেন্ট নাজিলা ফাতিহের মত বিশেষজ্ঞদের মতামত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তারা একমত যে, স্ট্রেইট অব হারমুজ কেবল ভূ-রাজনৈতিক সংঘর্ষের ক্ষেত্র নয়, এটি একটি তথ্যযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দু যেখানে প্রত্যেক পক্ষ নিজ নিজ কূটনৈতিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে বিকৃত তথ্য প্রচার করছে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান দূরত্ব, বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শক্তির প্রতিক্রিয়া, সামরিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি মিডিয়া ব্যবহার করে ডিজিটাল ও তথ্য ক্ষেত্রেও তীব্র মহড়ার সৃষ্টি করছে। এই পরিস্থিতিতে সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গুলোতে সংবাদসংক্রান্ত সততা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ দ্বিগুণ হচ্ছে।

তাছাড়া, ইসরাইলের ইউরোপীয় মিত্রদেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি এবং মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির পটভূমিতে, মিডিয়া ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ওঠানামা একটি নতুন মাত্রা পেয়েছে। এসব ক্ষেত্রে সংবাদ প্রচারের পেছনে একটি সুক্ষ্ম কূটনৈতিক কৌশল প্রয়োগ করা হয় যা সাধারণ পাঠক বা দর্শকের কাছে সরলভাবে পৌঁছতে নাও পারে।

আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ইরানি প্রবাসী সম্প্রদায়ের ভিন্নমত এবং এই মতবিরোধ কিভাবে পশ্চিমা মিডিয়ায় প্রতিফলিত হয়। যেহেতু পশ্চিমা মিডিয়াগুলো প্রবাসীদের একাংশের পক্ষপাতমূলক বার্তাকে বেশি গুরুত্ব দেয়, তাই বাস্তব চিত্রের বিকৃতি ঘটছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে। জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক নারগেস বাজোগলির সাথে বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ বিষয়টি বিশদভাবে আলোচনা করা হয়েছে, যেখানে তিনি প্রবাসী সম্প্রদায়ের কণ্ঠস্বর রাজনৈতিক লক্ষ্য পূরণের জন্য কিভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে তা তুলে ধরেন।

উপরোক্ত সমস্ত ঘটনাবলি ও বিশ্লেষণে স্পষ্ট যে, হারমুজ প্রণালীর ভূ-রাজনৈতিক সংকট কোন একক সামরিক সংঘর্ষের কথা নয়; এটা আধুনিক সময়ের তথ্যযুদ্ধের এক বাস্তব পরীক্ষণ ক্ষেত্র, যেখানে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতার মৌলিক চারিত্রিক শক্তি প্রমাণের দাবিদার। পরিস্থিতি বিবেচনায়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান খবরের নিরপেক্ষতা ও সত্য উদঘাটনে আরও সচেতনতা বৃদ্ধির এবং দ্বন্দ্বময় অঞ্চলে তথ্যের স্বচ্ছতা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার।