সর্বশেষ
ওরে মা… মা গো… আর মারিস না ভাই… হৃদয় ভাইয়া, ছেড়ে দে… আমি আর করব নাগর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে— তা প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট।বিয়ের জন্য স্বর্ণ কিনবেন না, বিদেশে বিয়ে করবেন না: মোদি।আলোচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মোনামীর পদত্যাগবাগেরহাটে ১৫ ফুট লম্বা অজগর অবমুক্ত।চট্টগ্রামে ডিজেল পাচারকালে ৪ হাজার লিটার ডিজেল সহ ৯ পাচারকারি আটক।পাবনায় অস্ত্র ও ইয়াবাসহ বিএনপি কর্মী আটক।ইরান যুদ্ধের সময় ইরাকে গোপনে ঘাঁটি গেড়েছিলো ইজরায়েল।ওরে মা… মা গো… আর মারিস না ভাই… হৃদয় ভাইয়া, ছেড়ে দে… আমি আর করব নাগর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে— তা প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট।বিয়ের জন্য স্বর্ণ কিনবেন না, বিদেশে বিয়ে করবেন না: মোদি।আলোচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মোনামীর পদত্যাগবাগেরহাটে ১৫ ফুট লম্বা অজগর অবমুক্ত।চট্টগ্রামে ডিজেল পাচারকালে ৪ হাজার লিটার ডিজেল সহ ৯ পাচারকারি আটক।পাবনায় অস্ত্র ও ইয়াবাসহ বিএনপি কর্মী আটক।ইরান যুদ্ধের সময় ইরাকে গোপনে ঘাঁটি গেড়েছিলো ইজরায়েল।
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করা হবে: পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করা হবে: পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে। হিমন্ত বিশ্ব শর্মা মন্তব্য করেছেন, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ক্ষমতায় এলে রাজ্যে গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করা হবে।


কোচবিহারের এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি বলেন, বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে গরুর মাংস খাওয়ার প্রচলন বন্ধ হবে। তার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে মেরুকরণের আশঙ্কা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।


অন্যদিকে, রাজ্যের ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাঙালির খাদ্যসংস্কৃতিতে হস্তক্ষেপ করা হতে পারে। দলটির নেতারা বিভিন্ন সময় এ বিষয়ে সতর্কবার্তাও দিয়েছেন।


সাম্প্রতিক বক্তব্যে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দাবি করেন, তৃণমূল কংগ্রেস এ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আসামে বিজেপি সরকারের আমলেও সাধারণভাবে মাছ-মাংস খাওয়ার ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাসে গরুকে পবিত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়—এই যুক্তিতে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পরিবর্তন হলে গরুর মাংস খাওয়া ও গরু পাচার উভয়ই কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।


তিনি আরও বলেন, সাধারণ মাংস ভক্ষণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে না; কেবল গোমাংসের কারবার বন্ধ করা হবে—এই বিষয়টি নিয়েই তৃণমূল নেত্রীদের উদ্বেগ রয়েছে।


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্যে একদিকে বাঙালির আমিষভোজী সংস্কৃতিকে সরাসরি আঘাত না করে অন্যদিকে ধর্মীয় অনুভূতিকে সামনে আনার কৌশল প্রতিফলিত হচ্ছে। ফলে নির্বাচনকে ঘিরে উন্নয়ন, কর্মসংস্থানসহ অন্যান্য ইস্যুর পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আলোচ্য বিষয়ে পরিণত হয়েছে।