সর্বশেষ
ফরিদপুরে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর আওয়ামী লীগের।তেল নিয়ে সরকারের তেলেসমাতি: দেশে উৎপাদিত অকটেন নিচ্ছে না সরকার।হামের টিকা নিয়ে পূর্ববর্তী দুই সরকারের উদাসীনতা ‘ক্ষমাহীন অপরাধ’ : প্রধানমন্ত্রী।বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করা হবে: পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রীযুবলীগ নেতার পুকুরে বিষ প্রয়োগে ৩০ লাখ টাকার মাছ নিধন করলো দুর্বৃত্তরা।নীলফামারীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে গিয়ে আটক পুলিশ।সিরাজগঞ্জে থানায় হামলা ও ভাঙ্গচুর ছাত্রদলের।ফরিদপুরের গভীর রাতে আসামির স্ত্রীর সাথে প্রেম করতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার এক পুলিশ।ফরিদপুরে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর আওয়ামী লীগের।তেল নিয়ে সরকারের তেলেসমাতি: দেশে উৎপাদিত অকটেন নিচ্ছে না সরকার।হামের টিকা নিয়ে পূর্ববর্তী দুই সরকারের উদাসীনতা ‘ক্ষমাহীন অপরাধ’ : প্রধানমন্ত্রী।বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করা হবে: পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রীযুবলীগ নেতার পুকুরে বিষ প্রয়োগে ৩০ লাখ টাকার মাছ নিধন করলো দুর্বৃত্তরা।নীলফামারীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে গিয়ে আটক পুলিশ।সিরাজগঞ্জে থানায় হামলা ও ভাঙ্গচুর ছাত্রদলের।ফরিদপুরের গভীর রাতে আসামির স্ত্রীর সাথে প্রেম করতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার এক পুলিশ।
Live Bangla Logo

ফরিদপুরে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর আওয়ামী লীগের।

প্রকাশিত: ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
ফরিদপুরে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর আওয়ামী লীগের।

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।


শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের কমলেশ্বরদী চরপাড়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দাদপুর ইউনিয়নের কমলেশ্বরদী চরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিল্লাল হোসেনের প্রায় ২১ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন মুশা ও তার সহযোগীরা ২০২০ সালে ওই জমির একটি অংশ দখল করে সেখানে কংক্রিটের স্থাপনা নির্মাণ করেন। এ নিয়ে একাধিক মামলা-মোকদ্দমা হয়েছে।


শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য স্থানীয়ভাবে একটি সালিস বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও চেয়ারম্যানপক্ষ উপস্থিত হয়নি। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় তালা ঝুলিয়ে দেন।


এর জেরে শনিবার বিকেলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ অনুযায়ী, চেয়ারম্যানপক্ষের সমর্থকরা চরপাড়া বাজার এলাকায় এসে বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় ছিরু মাতুব্বরের সারের দোকান, জাহিদুল ইসলামের বাড়ি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলার নেতা এনামুল চৌধুরীর বাড়িতেও হামলা চালানো হয়।


স্থানীয়দের দাবি, হামলায় শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অংশ নেয়। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।


বিল্লাল হোসেন মোল্যা বলেন, হাইকোর্টের রায় থাকা সত্ত্বেও তিনি জমির দখল নিতে পারেননি এবং বর্তমানে জমিটি চেয়ারম্যানপক্ষের দখলে রয়েছে। হামলার ঘটনায় তিনি বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ করেন। ছিরু মাতুব্বর অভিযোগ করেন, তার সারের দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে এবং কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন।


অভিযোগ অস্বীকার করে দাদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন মুশা বলেন, তার বাজারের দোকানে তালা লাগানো হয়েছে এবং তার লোকজনকে উসকানি দেওয়া হয়েছে। বিএনপির কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ সঠিক নয় বলেও দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য, প্রতিপক্ষের লোকজনই ভাঙচুর করে তাদের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে।


বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা-মধুখালী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আজম খান জানান, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।