সর্বশেষ
৫ ই মে শাপলা চত্বরে বিএনপির ভুমিকা কি ছিলো বিবেচনা করা উচিত: নাহিদ।“কাঁটাতারের বেড়া দেয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ‍্যানেলে আলোচনা হবে। আমাদের কনসার্ন নিরাপত্তা এবং যেন পুশইন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।”ইরানের ওপর পুনরায় আক্রমণ হলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু হবে: ইব্রাহিম।দ্বিতীয়বারের মতো আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।সিলেট গোলাপগঞ্জে অস্ত্রের মুখে ২০ লাখ টাকা ছিনতাই।একটা সময় দেখতাম সবাই আওয়ামী লীগ করে, আর এখন দেখি যে কেউ আওয়ামী লীগ করে না।বাংলাদেশে কখনোই ভারতীয় দলের জন্য নিরাপত্তা হুমকি ছিল নাপশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে হাটহাজারীতে বিক্ষোভ৫ ই মে শাপলা চত্বরে বিএনপির ভুমিকা কি ছিলো বিবেচনা করা উচিত: নাহিদ।“কাঁটাতারের বেড়া দেয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ‍্যানেলে আলোচনা হবে। আমাদের কনসার্ন নিরাপত্তা এবং যেন পুশইন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।”ইরানের ওপর পুনরায় আক্রমণ হলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু হবে: ইব্রাহিম।দ্বিতীয়বারের মতো আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।সিলেট গোলাপগঞ্জে অস্ত্রের মুখে ২০ লাখ টাকা ছিনতাই।একটা সময় দেখতাম সবাই আওয়ামী লীগ করে, আর এখন দেখি যে কেউ আওয়ামী লীগ করে না।বাংলাদেশে কখনোই ভারতীয় দলের জন্য নিরাপত্তা হুমকি ছিল নাপশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে হাটহাজারীতে বিক্ষোভ
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

শ্বশুরবাড়িতে জায়াগা না পেয়ে স্বামীর কবরের পাশে দুই সন্তানকে নিয়ে আশ্রয়।

প্রকাশিত: ২২ এপ্রিল, ২০২৬
শ্বশুরবাড়িতে জায়াগা না পেয়ে স্বামীর কবরের পাশে দুই সন্তানকে নিয়ে আশ্রয়।

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলা-এর উত্তর লস্করচালা গ্রামে স্বামীর কবরের পাশে দুই সন্তানকে নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন সোনিয়া বেগম (৩২) নামের এক নারী। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এলাকাটির একটি নির্জন বাঁশঝাড়ের নিচে এমন দৃশ্য দেখা যায়।


জানা যায়, সম্প্রতি সোনিয়ার স্বামী সুজন মাহমুদ মারা যান। স্বামীর মৃত্যুর পর শ্বশুরবাড়িতে ঠাঁই না পেয়ে ৯ বছরের মেয়ে ও দেড় বছরের ছেলেকে নিয়ে তিনি স্বামীর কবরের পাশেই অবস্থান করছেন।


সোনিয়ার অভিযোগ, স্বামীর অসুস্থতার সময় পর্যাপ্ত চিকিৎসা করানো হয়নি। মৃত্যুর পরও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁর পাশে দাঁড়াননি। এমনকি দাফনের সময়ও তাঁর শ্বশুর কফিল উদ্দিন ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে তিনি দাবি করেন। বর্তমানে স্বামীর ভিটায় থাকার অধিকার থেকেও তাঁকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।


কান্নাজড়িত কণ্ঠে সোনিয়া বলেন, স্বামী হারানোর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই সন্তানদের নিয়ে টিকে থাকার লড়াই শুরু করতে হয়েছে তাঁকে। কোথাও আশ্রয় না পেয়ে বাধ্য হয়েই কবরের পাশে অবস্থান করছেন তিনি।


স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রথমে মানবিক কারণে স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম তাঁর পরিবারসহ সোনিয়াকে আশ্রয় দেন। তবে আইনি জটিলতার আশঙ্কায় সেই আশ্রয় দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ফলে নিরুপায় হয়ে তিনি এই অবস্থানে রয়েছেন।


এদিকে স্থানীয়দের মতে, পারিবারিক বিরোধ থাকলেও শিশুদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় দাদা-দাদির এগিয়ে আসা উচিত।


এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সোনিয়ার শ্বশুর কফিল উদ্দিন কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।


কালিয়াকৈর থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, উভয় পক্ষকে নিয়ে সমঝোতার চেষ্টা চলছে। সমাধান না হলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।