সর্বশেষ
৫ ই মে শাপলা চত্বরে বিএনপির ভুমিকা কি ছিলো বিবেচনা করা উচিত: নাহিদ।“কাঁটাতারের বেড়া দেয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ‍্যানেলে আলোচনা হবে। আমাদের কনসার্ন নিরাপত্তা এবং যেন পুশইন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।”ইরানের ওপর পুনরায় আক্রমণ হলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু হবে: ইব্রাহিম।দ্বিতীয়বারের মতো আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।সিলেট গোলাপগঞ্জে অস্ত্রের মুখে ২০ লাখ টাকা ছিনতাই।একটা সময় দেখতাম সবাই আওয়ামী লীগ করে, আর এখন দেখি যে কেউ আওয়ামী লীগ করে না।বাংলাদেশে কখনোই ভারতীয় দলের জন্য নিরাপত্তা হুমকি ছিল নাপশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে হাটহাজারীতে বিক্ষোভ৫ ই মে শাপলা চত্বরে বিএনপির ভুমিকা কি ছিলো বিবেচনা করা উচিত: নাহিদ।“কাঁটাতারের বেড়া দেয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ‍্যানেলে আলোচনা হবে। আমাদের কনসার্ন নিরাপত্তা এবং যেন পুশইন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।”ইরানের ওপর পুনরায় আক্রমণ হলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু হবে: ইব্রাহিম।দ্বিতীয়বারের মতো আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।সিলেট গোলাপগঞ্জে অস্ত্রের মুখে ২০ লাখ টাকা ছিনতাই।একটা সময় দেখতাম সবাই আওয়ামী লীগ করে, আর এখন দেখি যে কেউ আওয়ামী লীগ করে না।বাংলাদেশে কখনোই ভারতীয় দলের জন্য নিরাপত্তা হুমকি ছিল নাপশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে হাটহাজারীতে বিক্ষোভ
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

ডাকসু নেতা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাবিতে শিবিরের বিক্ষোভ

প্রকাশিত: ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
ডাকসু নেতা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাবিতে শিবিরের বিক্ষোভ

শাহবাগ থানা এলাকায় ডাকসুর দুই নেতা এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। বিক্ষোভ মিছিলে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার রাত আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বর থেকে এ বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) প্রদক্ষিণ করে কলাভবন হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভবনের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।


সমাবেশে বক্তব্য দেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ, কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও ডাকসুর সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) মহিউদ্দিন খান ও সংগঠনের কর্মী আবদুল্লাহ আল মাহমুদ।

এর আগে মিছিলে অংশ নেওয়া নেতা-কর্মীরা ‘চাঁদাবাজি করে কোন দল, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল’, ‘শিক্ষা আর সন্ত্রাস, একসঙ্গে চলে না’, ‘রামদা আর সন্ত্রাস, একসঙ্গে চলে না’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর শাহবাগ থানার সামনে হামলা ও মারধরের শিকার হন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক যুবাইর বিন নেছারী (এ বি জুবায়ের) এবং সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ। ছাত্রদলের একদল নেতা–কর্মী ওই হামলা চালান। তাঁদের আক্রমণ থেকে দুজনকে রক্ষায় ভূমিকা রাখেন সংগঠনের কয়েকজন নেতা। একপর্যায়ে ডাকসুর দুই নেতাকে উদ্ধার করে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কক্ষে নেওয়া হয়। এক ঘণ্টার বেশি সময় তাঁরা সেখানে অবরুদ্ধ থাকার পর ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম এসে ডাকসু নেতাদের থানা থেকে বের করেন।