
মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump পাকিস্তানে বিশেষ দূত পাঠাচ্ছেন এমন সময় দেশটিতে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi। ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি ও হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ ঘিরে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের চলমান সংঘাত নিরসনে নতুন করে আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি Karoline Leavitt শুক্রবার জানান, মার্কিন দূত Steve Witkoff ও Jared Kushner পাকিস্তানে গিয়ে আরাঘচির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো একটি সমঝোতার দিকে অগ্রসর হবে। তবে ইরানি প্রতিনিধি দল এই বৈঠকে সম্মত হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
শুক্রবার এক্সে দেওয়া বার্তায় আরাঘচি জানান, তিনি “সময়সাপেক্ষ সফরে” ইসলামাবাদ, মাস্কাট ও মস্কো যাচ্ছেন, যেখানে দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে তিনি কোনো ইঙ্গিত দেননি।
এদিকে ট্রাম্প বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত পূরণে একটি প্রস্তাব দিয়েছে, যার মধ্যে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধের বিষয়টিও রয়েছে।
এর আগে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী Pete Hegseth বলেন, ইরানের সামনে “ভালো একটি চুক্তি” করার সুযোগ রয়েছে। আলোচনার টেবিলে এসে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যাচাইযোগ্য উপায়ে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি পরিত্যাগ করলেই সমাধান সম্ভব।
তবে পাকিস্তান সরকারের দুটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরটি সংক্ষিপ্ত হবে এবং মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার প্রস্তাব পাকিস্তানের মাধ্যমে ওয়াশিংটনে পৌঁছে দেওয়াই এর উদ্দেশ্য।
অন্যদিকে তেহরান থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক জানান, ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা স্পষ্ট করে বলেছেন—পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সরাসরি কোনো বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে না। আঞ্চলিক অংশীদাররা অচলাবস্থা নিরসনে বিভিন্ন প্রস্তাব দিলেও আপাতত নতুন দফা প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে না।