সর্বশেষ
৫ ই মে শাপলা চত্বরে বিএনপির ভুমিকা কি ছিলো বিবেচনা করা উচিত: নাহিদ।“কাঁটাতারের বেড়া দেয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ‍্যানেলে আলোচনা হবে। আমাদের কনসার্ন নিরাপত্তা এবং যেন পুশইন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।”ইরানের ওপর পুনরায় আক্রমণ হলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু হবে: ইব্রাহিম।দ্বিতীয়বারের মতো আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।সিলেট গোলাপগঞ্জে অস্ত্রের মুখে ২০ লাখ টাকা ছিনতাই।একটা সময় দেখতাম সবাই আওয়ামী লীগ করে, আর এখন দেখি যে কেউ আওয়ামী লীগ করে না।বাংলাদেশে কখনোই ভারতীয় দলের জন্য নিরাপত্তা হুমকি ছিল নাপশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে হাটহাজারীতে বিক্ষোভ৫ ই মে শাপলা চত্বরে বিএনপির ভুমিকা কি ছিলো বিবেচনা করা উচিত: নাহিদ।“কাঁটাতারের বেড়া দেয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ‍্যানেলে আলোচনা হবে। আমাদের কনসার্ন নিরাপত্তা এবং যেন পুশইন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।”ইরানের ওপর পুনরায় আক্রমণ হলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু হবে: ইব্রাহিম।দ্বিতীয়বারের মতো আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।সিলেট গোলাপগঞ্জে অস্ত্রের মুখে ২০ লাখ টাকা ছিনতাই।একটা সময় দেখতাম সবাই আওয়ামী লীগ করে, আর এখন দেখি যে কেউ আওয়ামী লীগ করে না।বাংলাদেশে কখনোই ভারতীয় দলের জন্য নিরাপত্তা হুমকি ছিল নাপশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে হাটহাজারীতে বিক্ষোভ
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার চুক্তিতেও ২৩১টি ‘শ্যাল’ আছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৫ মে, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার চুক্তিতেও ২৩১টি ‘শ্যাল’ আছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে সমালোচনার প্রেক্ষাপটে তুলনামূলক বিশ্লেষণের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, সমালোচনার আগে একই ধরনের চুক্তিতে অন্যান্য দেশ কী শর্ত মেনে নিয়েছে, সেটিও দেখা উচিত।


মঙ্গলবার ঢাকায় ব্রেন্ডান লিঞ্চ-এর নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।


অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি (এআরটি) সই হয়। সে সময় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে আলোচনায় যুক্ত ছিলেন খলিলুর রহমান।


চুক্তিটি নিয়ে প্রধান সমালোচনা হলো—যুক্তরাষ্ট্রের জন্য মাত্র ছয়টি শর্তের বিপরীতে বাংলাদেশের জন্য ১৩১টি শর্ত রয়েছে। তবে এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ ১৩১টাতে ‘শ্যাল’ বলেছে না? আমরা তো একা এই চুক্তি করিনি।” উদাহরণ দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, ইন্দোনেশিয়া একই ধরনের চুক্তিতে ২৩১টি শর্তে সম্মত হয়েছে। পাশাপাশি ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া-সহ অন্যান্য দেশের চুক্তিও তুলনায় দেখার আহ্বান জানান তিনি।


চুক্তি নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতে বাংলাদেশ কী পেয়েছে এবং কী পায়নি—তা বিশ্লেষণ করা জরুরি।


রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ প্রসঙ্গে খলিলুর রহমান জানান, যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্কহার নির্ধারণ করেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কেউ ২০ শতাংশ পেয়েছে, যেমন ভিয়েতনাম; বাংলাদেশ পেয়েছে ১৯ শতাংশ। এসব চুক্তি প্রকাশ্যেই রয়েছে এবং তুলনা করলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।