যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার চুক্তিতেও ২৩১টি ‘শ্যাল’ আছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে সমালোচনার প্রেক্ষাপটে তুলনামূলক বিশ্লেষণের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, সমালোচনার আগে একই ধরনের চুক্তিতে অন্যান্য দেশ কী শর্ত মেনে নিয়েছে, সেটিও দেখা উচিত।
মঙ্গলবার ঢাকায় ব্রেন্ডান লিঞ্চ-এর নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি (এআরটি) সই হয়। সে সময় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে আলোচনায় যুক্ত ছিলেন খলিলুর রহমান।
চুক্তিটি নিয়ে প্রধান সমালোচনা হলো—যুক্তরাষ্ট্রের জন্য মাত্র ছয়টি শর্তের বিপরীতে বাংলাদেশের জন্য ১৩১টি শর্ত রয়েছে। তবে এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ ১৩১টাতে ‘শ্যাল’ বলেছে না? আমরা তো একা এই চুক্তি করিনি।” উদাহরণ দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, ইন্দোনেশিয়া একই ধরনের চুক্তিতে ২৩১টি শর্তে সম্মত হয়েছে। পাশাপাশি ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া-সহ অন্যান্য দেশের চুক্তিও তুলনায় দেখার আহ্বান জানান তিনি।
চুক্তি নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতে বাংলাদেশ কী পেয়েছে এবং কী পায়নি—তা বিশ্লেষণ করা জরুরি।
রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ প্রসঙ্গে খলিলুর রহমান জানান, যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্কহার নির্ধারণ করেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কেউ ২০ শতাংশ পেয়েছে, যেমন ভিয়েতনাম; বাংলাদেশ পেয়েছে ১৯ শতাংশ। এসব চুক্তি প্রকাশ্যেই রয়েছে এবং তুলনা করলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।