সর্বশেষ
প্রধানমন্ত্রীর পর এবার রাতের ঢাকায় বর্জ্য তদারকিতে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীপ্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে টাস্কফোর্স গঠনের দাবি বিরোধী দলের, ইতিবাচক সরকারি দলওচাঁদপুরে সেচ্ছাসেবক দলের নেতার ধর্ষণে ৮ম শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, গ্রেফতার ২।সংযুক্ত আরব আমিরাতে ওয়ার্ক পারমিটে বড় সংস্কার, সহজ হচ্ছে কর্মসংস্থানের প্রক্রিয়াএস আলমের গাড়িতে চড়ে সংবর্ধনা নেওয়ার প্রসঙ্গ সংসদে, ব্যাখ্যা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীজমি বিক্রি করে সাড়ে ৭ কিলোমিটার জার্মানির পতাকা বানালেন কৃষক আমজাদটেলিটক–বাংলালিংক একীভূত করতে আগ্রহী বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওনএপস্টিনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কংগ্রেসের তদন্তকারীদের মুখোমুখি বিল গেটসপ্রধানমন্ত্রীর পর এবার রাতের ঢাকায় বর্জ্য তদারকিতে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীপ্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে টাস্কফোর্স গঠনের দাবি বিরোধী দলের, ইতিবাচক সরকারি দলওচাঁদপুরে সেচ্ছাসেবক দলের নেতার ধর্ষণে ৮ম শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, গ্রেফতার ২।সংযুক্ত আরব আমিরাতে ওয়ার্ক পারমিটে বড় সংস্কার, সহজ হচ্ছে কর্মসংস্থানের প্রক্রিয়াএস আলমের গাড়িতে চড়ে সংবর্ধনা নেওয়ার প্রসঙ্গ সংসদে, ব্যাখ্যা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীজমি বিক্রি করে সাড়ে ৭ কিলোমিটার জার্মানির পতাকা বানালেন কৃষক আমজাদটেলিটক–বাংলালিংক একীভূত করতে আগ্রহী বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওনএপস্টিনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কংগ্রেসের তদন্তকারীদের মুখোমুখি বিল গেটস
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

এমপিরা আশ্রয়-প্রশ্রয় দিলে চাঁদাবাজি বন্ধ করা অসম্ভব: জামায়াত আমির

প্রকাশিত: ১২ মে, ২০২৬
এমপিরা আশ্রয়-প্রশ্রয় দিলে চাঁদাবাজি বন্ধ করা অসম্ভব: জামায়াত আমির


সংসদ সদস্যরা (এমপি) আশ্রয়-প্রশ্রয় না দিলে চাঁদাবাজি বন্ধ করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘সংসদের ৩০০ জন সদস্য যদি সিদ্ধান্ত নেন যে বাংলাদেশে চাঁদাবাজি হবে না, তাহলে কেউ করার সাহস পাবে না। কিন্তু তাঁরাই যদি আশ্রয়-প্রশ্রয় দেন, তাহলে চাঁদাবাজি বন্ধ করা অসম্ভব। আমরা চাই চাঁদাবাজিটা বন্ধ হোক।’

আজ মঙ্গলবার সকালে মিরপুর-১ নম্বর সেকশনে শাহ আলী পাইকারি কাঁচাবাজার পরিদর্শনে গিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের এ কথাগুলো বলেন শফিকুর রহমান।

শাহ আলী বাজার পরিদর্শনে গিয়ে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেন, এই যে একটা বিশাল আড়ত-মার্কেট আছে, এখানে যে দোকানগুলো আছে, এখানেও দখলদারি আছে। এখানেও নীরব চাঁদাবাজি আছে; কিন্তু মুখ ফুটে কেউ কথা বলতে চায় না। সবার মুখ চেপে রাখা হয়েছে।


চাঁদাবাজ কারা—এটি সবাই জানে উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘কারা করে এই চাঁদাবাজি? আফ্রিকার জঙ্গল থেকে এসে কেউ করে না। এখানেই আমাদের সাথে চলাফেরা করে, ওঠাবসা করে, বসবাস করে, এই লোকেরা এগুলো করে। তাদের পরিচয় আমরা সবাই জানি।’