সর্বশেষ
৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার পলাতক আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেন আটকঢাকা-সিলেট রুটে আসছে বিরতিহীন ট্রেন ‘টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস’গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগ-যুবলীগের মিছিল থামাতে গিয়েছিল বিএনপি, নেতাকর্মীদের মেরে মোটরসাইকেলে আগুন দিলো ছাত্রলীগ ; আটক ১৯৫ আগস্ট উদ্বোধন হচ্ছে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’আল্লামা মামুনুল হকের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তার সৌজন্য সাক্ষাৎ‘এখনই আমি মরতে পারি না’ বলার কিছুক্ষণ পরই ইজরায়েলপন্থী মার্কিন সিনেটরের মৃত্যু।সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন।শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে টিএসসিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান, ঢাবিতে বিজিবি মোতায়েন৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার পলাতক আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেন আটকঢাকা-সিলেট রুটে আসছে বিরতিহীন ট্রেন ‘টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস’গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগ-যুবলীগের মিছিল থামাতে গিয়েছিল বিএনপি, নেতাকর্মীদের মেরে মোটরসাইকেলে আগুন দিলো ছাত্রলীগ ; আটক ১৯৫ আগস্ট উদ্বোধন হচ্ছে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’আল্লামা মামুনুল হকের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তার সৌজন্য সাক্ষাৎ‘এখনই আমি মরতে পারি না’ বলার কিছুক্ষণ পরই ইজরায়েলপন্থী মার্কিন সিনেটরের মৃত্যু।সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন।শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে টিএসসিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান, ঢাবিতে বিজিবি মোতায়েন
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

একনেক সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প।

প্রকাশিত: ১৩ মে, ২০২৬
একনেক সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প। প্রকল্পটির মোট প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।


বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ের মন্ত্তারেক রহম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়।


একনেক সভায় মোট ১৬টি প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ১১ নম্বর কার্যতালিকায় ছিল পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প। এর আগে কয়েক দফা একনেক সভায় প্রকল্পটি তোলা হলেও অনুমোদন দেওয়া হয়নি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ও এটি উপস্থাপন করা হয়েছিল, তবে তখন চূড়ান্ত অনুমোদন মেলেনি।


অনুমোদিত প্রকল্পের আওতায় শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে স্বাদু পানির প্রবাহ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। জুলাই ২০২৬ থেকে জুন ২০৩৩ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা রয়েছে।


একনেক সভায় উপস্থিত এক কর্মকর্তা জানান, প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রায় ৩৭ শতাংশ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে। একই সঙ্গে কমবে লবণাক্ততা, পুনরুজ্জীবিত হবে মৃতপ্রায় নদী, এবং কৃষি, মৎস্য ও পরিবফারাক্কা ব্যারেজ নির্মাণ করে। শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গার পানি ভাগীরথী-হুগলি নদীতে প্রবাহিত করা এবং কলকাতা বন্দরের নাব্য উন্নয়নের লক্ষ্যেই ব্যারেজটি নির্মিত হয়। তবে উজানে পানি প্রত্যাহারের ফলে বাংলাদেশ অংশে পদ্মা নদীর প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এর প্রভাবে দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের হিসনা-মাথাভাঙ্গা, গড়াই-মধুমতি, চন্দনা-বারাশিয়া, ইছামতি ও বড়াল নদী শুকিয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।


পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হতে পারে ৫০ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা। প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দেশের নদী ব্যবস্থায় স্বাদু পানির প্রবাহ নিশ্চিত করা।


তবে প্রকল্প বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে ভারতের ফারাক্কা ব্যারেজ-সংক্রান্ত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতাকে। ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে।


সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ফারাক্কা ব্যারেজ নির্মাণের পর থেকে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশ অংশে পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী ও খালে লবণাক্ততা বেড়েছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে কৃষি, মৎসসুন্দরবন-এর জীববৈচিত্র্যের ওপর।য় পানির প্রাপ্যতা এবং

ভারত ১৯৭৫ সালে পশ্চিমবঙ্গে নকক্ষে

্য, নৌ-চলাচল, সুপেেশে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।



রিসভা