সর্বশেষ
ভারতের অরুণাচলে ১৫ মসজিদ সিলগালা করলো পুলিশকুসংস্কার ঠেকাতে আখাউড়ায় ‘অলৌকিক’ দাবি ওঠা গাছ কেটে ফেলল প্রশাসনস্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক কারাগারে।দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ড: আহত বাংলাদেশিদের একজনের মৃত্যু২৮ জনকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা বিএসএফের, বিজিবির প্রতিরোধের পর পতাকা বৈঠকসিলেট বিয়ানীবাজারে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা: ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলাকক্সবাজারে নির্মাণাধীন কালভার্টে মাটিধস, নিহত ২ শ্রমিকপ্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোনের তার চুরি: রঞ্জন চন্দ্র গ্রেপ্তারভারতের অরুণাচলে ১৫ মসজিদ সিলগালা করলো পুলিশকুসংস্কার ঠেকাতে আখাউড়ায় ‘অলৌকিক’ দাবি ওঠা গাছ কেটে ফেলল প্রশাসনস্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক কারাগারে।দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ড: আহত বাংলাদেশিদের একজনের মৃত্যু২৮ জনকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা বিএসএফের, বিজিবির প্রতিরোধের পর পতাকা বৈঠকসিলেট বিয়ানীবাজারে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা: ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলাকক্সবাজারে নির্মাণাধীন কালভার্টে মাটিধস, নিহত ২ শ্রমিকপ্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোনের তার চুরি: রঞ্জন চন্দ্র গ্রেপ্তার
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

কুসংস্কার ঠেকাতে আখাউড়ায় ‘অলৌকিক’ দাবি ওঠা গাছ কেটে ফেলল প্রশাসন

প্রকাশিত: ৫ জুন, ২০২৬
কুসংস্কার ঠেকাতে আখাউড়ায় ‘অলৌকিক’ দাবি ওঠা গাছ কেটে ফেলল প্রশাসন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঝড়ে উপড়ে পড়ার পর পুনরায় সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যাওয়ায় আলোচনায় আসা একটি গাছ কেটে ফেলেছে উপজেলা প্রশাসন। গাছটিকে কেন্দ্র করে কুসংস্কার ছড়িয়ে পড়া এবং সেখানে মাজার তৈরির চেষ্টার অভিযোগ ওঠায় শুক্রবার দুপুরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় গাছটি অপসারণ করা হয়।



স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় এক মাস আগে আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের মুন্সীবাড়ির একটি পুকুরপাড়ে গাছটি ঝড়ে উপড়ে পড়ে। পরে এর ডালপালা ও উপরের অংশ কেটে ফেলা হয়। তবে প্রায় এক সপ্তাহ আগে ডালপালাবিহীন প্রায় ১৫ ফুট উঁচু অবশিষ্ট কাণ্ডটি আবার সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।



ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ গাছটি দেখতে ভিড় করতে থাকে। একপর্যায়ে কিছু মানুষ গাছের গোড়ায় লাল কাপড় বেঁধে মোমবাতি ও আগরবাতি জ্বালিয়ে মানত করা শুরু করে। পাশাপাশি সেখানে নিশানা টাঙিয়ে মাজারসদৃশ পরিবেশ তৈরির চেষ্টারও অভিযোগ ওঠে।



এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল ও সমাজকর্মীরা বিষয়টিকে অলৌকিক নয় বলে উল্লেখ করেন। তাদের মতে, গাছের উপরের অংশ ও ডালপালা কেটে ফেলার ফলে ভরকেন্দ্র পরিবর্তিত হয়। পরে শিকড়ের টান, মাটির স্থিতিস্থাপকতা এবং অভ্যন্তরীণ রসচাপের কারণে কাণ্ডটি পুনরায় সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। শুক্রবার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছটি সম্পূর্ণ কেটে ফেলা হয়।



আখাউড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কফিল উদ্দিন মাহমুদ জানান, গাছটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। গাছের মালিকের অনুমতি নিয়েই এটি অপসারণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, গাছ বিক্রির অর্থ কোনো মসজিদ বা মাদরাসায় অনুদান হিসেবে দেওয়া হবে বলে মালিক জানিয়েছেন।