সর্বশেষ
আ.লীগের ইয়াবা ব্যবসা এখন বিএনপির কিছু নেতার নিয়ন্ত্রণে: জয়নুল আবদিন ফারুকঅবৈধভাবে এশিয়ার বৃহত্তম ‘রামমূর্তি’ নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাস চন্দ্র তরনী গ্রেপ্তারসাবেক স্পিকার ও সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি জমির উদ্দিন সরকার আর নেইকুমিল্লায় আজান দিতে দিতে ইমামের মৃত্যু, এলাকাজুড়ে শোকজুলাই গণঅভ্যুত্থানে মাদ্রাসা ছাত্রদের স্মরণে পালিত হবে ‘মাদ্রাসা রেজিস্ট্যান্স ডে-২০২৬’জুলাই নিয়ে সিনেমা নির্মাণ করুন, প্রয়োজনে নিজের রক্ত বিক্রি করে টাকা দেবো: তাজুল ইসলামবিএনপির ইতিহাস জনগণের সঙ্গে প্রতারণার ইতিহাস: নাহিদ ইসলামমুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীআ.লীগের ইয়াবা ব্যবসা এখন বিএনপির কিছু নেতার নিয়ন্ত্রণে: জয়নুল আবদিন ফারুকঅবৈধভাবে এশিয়ার বৃহত্তম ‘রামমূর্তি’ নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাস চন্দ্র তরনী গ্রেপ্তারসাবেক স্পিকার ও সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি জমির উদ্দিন সরকার আর নেইকুমিল্লায় আজান দিতে দিতে ইমামের মৃত্যু, এলাকাজুড়ে শোকজুলাই গণঅভ্যুত্থানে মাদ্রাসা ছাত্রদের স্মরণে পালিত হবে ‘মাদ্রাসা রেজিস্ট্যান্স ডে-২০২৬’জুলাই নিয়ে সিনেমা নির্মাণ করুন, প্রয়োজনে নিজের রক্ত বিক্রি করে টাকা দেবো: তাজুল ইসলামবিএনপির ইতিহাস জনগণের সঙ্গে প্রতারণার ইতিহাস: নাহিদ ইসলামমুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

জাপানে জন্মহারে সর্বোচ্চ পতন, পাঁচ বছরে কমেছে ৩১ লাখ মানুষ

প্রকাশিত: ৬ জুন, ২০২৬
জাপানে জন্মহারে সর্বোচ্চ পতন, পাঁচ বছরে কমেছে ৩১ লাখ মানুষ

বেশ কিছু বছর ধরে জনসংখ্যার হার নিম্নমুখী। গত বৃহস্পতিবার দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৫ সালে জাপানে শিশু জন্মহার ছিল রেকর্ড সর্বনিম্ন।


এর আগে গত ২৯ মে প্রকাশিত ২০২৫ সালের আদমশুমারির প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী, জাপানের বর্তমান জনসংখ্যা ১২ কোটি ৩০ লাখ ৪৯ হাজার ৫২৪ জন। সংখ্যাটি ২০২০ সালের তুলনায় প্রায় ৩১ লাখ কম। ২ দশমিক ৫ শতাংশের এই হ্রাস দেশটির জনসংখ্যার এযাবৎকালের সবচেয়ে দ্রুত পতন।


এই পতনের ফলে বিশ্বের জনবহুল দেশের তালিকায় জাপান এক ধাপ পিছিয়ে ১২তম স্থানে নেমে এসেছে। তবে দেশটিতে বিদেশি বাসিন্দাদের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩২ লাখ ১০ হাজারে দাঁড়িয়েছে। জাপানের ৪৭টি অঞ্চলের মধ্যে কেবল টোকিও ও ওকিনাওয়ায় জনসংখ্যা বেড়েছে, বাকি ৪৫টিতে কমেছে।


জাপানে প্রতি বছর মৃত্যুর তুলনায় জন্মহার ধারাবাহিকভাবে কমছে। ২০২৫ সালে জন্ম নেওয়া শিশুর সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ৭১ হাজার ২৩৬টি, যা আগের বছরের চেয়ে ১৫ হাজার কম। ১৮৯৯ সালে জনসংখ্যার রেকর্ড রাখা শুরুর পর থেকে এটি সর্বনিম্ন। একজন নারীর সন্তান জন্মদানের গড় হার (প্রজনন হার) কমে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ১৪ শতাংশে। কোনো দেশের জনসংখ্যার স্থিতিশীলতার জন্য এই হার ২ দশমিক ১ শতাংশ হওয়া প্রয়োজন।



অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ, অনিয়মিত কর্মসংস্থান, উচ্চ শিক্ষা ব্যয় এবং শহরের বাড়ির চড়া দাম তরুণ-তরুণীদের বিয়ে ও সন্তান ধারণে নিরুৎসাহিত করছে। পাশাপাশি লিঙ্গবৈষম্য ও কর্মক্ষেত্রের সংস্কৃতির কারণে সন্তান প্রতিপালনের প্রধান দায়িত্ব নারীর ওপরই বর্তাচ্ছে, যা জন্মহারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।