সর্বশেষ
সিলেটে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ।ভারতের গুজরাটে ভেঙে ফেলা হলো ৩টি মসজিদ ও কয়েকটি মাজার।অরুণাচলে ভারতীয় ভূখণ্ড দখলের অভিযোগ, চীনের স্থায়ী ঘাঁটি নির্মাণের দাবিখেলাপি ঋণে নির্বাচিত এমপি আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, নতুন ভোটের ইঙ্গিত অ্যাটর্নি জেনারেলেরজামায়াত পাকিস্তান সৃষ্টির পক্ষেও ছিল না, আবার ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের পক্ষেও না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীজুলাই বিপ্লবে কার্নিশে ঝুলে থাকা যুবককে গুলি, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুরসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ডবিয়ানীবাজারে প্রবাসী বিএনপি নেতার কাছে চাঁদা দাবি যুবদল নেতার, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অভিযোগ।বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থার তৎপরতায় ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র’-এর (R&AW) দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের দাবি।সিলেটে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ।ভারতের গুজরাটে ভেঙে ফেলা হলো ৩টি মসজিদ ও কয়েকটি মাজার।অরুণাচলে ভারতীয় ভূখণ্ড দখলের অভিযোগ, চীনের স্থায়ী ঘাঁটি নির্মাণের দাবিখেলাপি ঋণে নির্বাচিত এমপি আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, নতুন ভোটের ইঙ্গিত অ্যাটর্নি জেনারেলেরজামায়াত পাকিস্তান সৃষ্টির পক্ষেও ছিল না, আবার ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের পক্ষেও না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীজুলাই বিপ্লবে কার্নিশে ঝুলে থাকা যুবককে গুলি, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুরসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ডবিয়ানীবাজারে প্রবাসী বিএনপি নেতার কাছে চাঁদা দাবি যুবদল নেতার, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অভিযোগ।বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থার তৎপরতায় ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র’-এর (R&AW) দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের দাবি।
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

ভারতের গুজরাটে ভেঙে ফেলা হলো ৩টি মসজিদ ও কয়েকটি মাজার।

প্রকাশিত: ১ জুলাই, ২০২৬
ভারতের গুজরাটে ভেঙে ফেলা হলো ৩টি মসজিদ ও কয়েকটি মাজার।

আগাম নোটিশ ছাড়াই ভারতের গুজরাট রাজ্যের কুচ জেলায় তিনটি মসজিদ, কয়েকটি মাজারসহ মোট ৩০টি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

দ্য হিন্দুস্তান গ্যাজেটের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, উচ্ছেদ অভিযানে তিনটি মসজিদ ও কয়েকটি মাজারসহ মোট ৩০টি অবকাঠামো ভেঙে ফেলা হয়েছে।


ঘটনার পর জমিয়ত উলামা-ই-হিন্দের একটি প্রতিনিধি দল কুচ জেলা পরিদর্শন করে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন মাওলানা হাকিমুদ্দিন কাশমী। তিনি অভিযোগ করেন, কোনো আগাম নোটিশ ছাড়াই মসজিদগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাইলেও সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।


ভেঙে ফেলা স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে জুনা কান্দলা মসজিদ। মসজিদের খাদেম জানান, হঠাৎ করেই প্রশাসনের লোকজন এসে মসজিদটি ভেঙে ফেলেন। তিনি বলেন, বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের আটক করা হতে পারত।


মসজিদ কর্তৃপক্ষের দাবি, জুনা কান্দলা মসজিদটি ১৯৬৫ সাল থেকেই ওয়াকফ হিসেবে নিবন্ধিত ছিল। এর নান্দনিক নির্মাণশৈলীর কারণে এটি এলাকায় সুপরিচিত ছিল।

মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সামার বলেন, উচ্ছেদ অভিযানের সময় তারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে এবং মসজিদের কাছে যেতে চেয়েছিলেন। তবে তাদের সেখানে যেতে দেওয়া হয়নি; বরং হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।



উচ্ছেদ হওয়া ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর মধ্যে আদিপুরের একটি মসজিদও রয়েছে।



এদিকে এক সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অভিযানে মোট ৩০টি অবকাঠামো অপসারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১টি ধর্মীয় স্থাপনা, ১৭টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং দুটি আবাসিক স্থাপনা রয়েছে। তবে কোন আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বা সংশ্লিষ্টদের আগে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।