সর্বশেষ
কল রেকর্ড নিয়ে বিরোধের জেরে সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগের হামলায় ছাত্রদলের আহত ১০সেনা প্রধানের উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটবিরোধী দলের ভাষা সংঘাতের দিকে না যাওয়ার আহ্বান ফখরুলেরবাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে ঢাকা সফরে আগ্রহ প্রকাশ করলেন ইউএই প্রেসিডেন্টজুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ৫ আগস্ট নয়াপল্টনে সমাবেশ করবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলঅসুস্থ বাবা ও প্রতিবন্ধী মায়ের সংসার চালাতেন আলিফ, চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ চাইল এনসিপিহবিগঞ্জে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী-সারজিস আলমসহ ১০ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামল।যশোরে গ্রেপ্তার শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন, চট্টগ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তরকল রেকর্ড নিয়ে বিরোধের জেরে সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগের হামলায় ছাত্রদলের আহত ১০সেনা প্রধানের উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটবিরোধী দলের ভাষা সংঘাতের দিকে না যাওয়ার আহ্বান ফখরুলেরবাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে ঢাকা সফরে আগ্রহ প্রকাশ করলেন ইউএই প্রেসিডেন্টজুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ৫ আগস্ট নয়াপল্টনে সমাবেশ করবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলঅসুস্থ বাবা ও প্রতিবন্ধী মায়ের সংসার চালাতেন আলিফ, চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ চাইল এনসিপিহবিগঞ্জে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী-সারজিস আলমসহ ১০ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামল।যশোরে গ্রেপ্তার শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন, চট্টগ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

প্রশ্নফাঁসবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রনেতা হয়ে সেই প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলনে পদত্যাগ—ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের!

প্রকাশিত: ২৬ জুলাই, ২০২৬
প্রশ্নফাঁসবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রনেতা হয়ে সেই প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলনে পদত্যাগ—ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের!


প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলন করে আলোচনায় আসা এক ছাত্রনেতা, পরে দেশের শিক্ষামন্ত্রী—প্রায় তিন দশকের ব্যবধানে রাজনৈতিক বাস্তবতার এক ব্যতিক্রমী অধ্যায়ের সাক্ষী হলেন ভারতের সদ্য পদত্যাগ করা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। ১৯৯৭ সালে ওডিশায় প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া সেই তরুণই ২০২৬ সালে নিজের মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের দায় নিয়ে পদত্যাগ করলেন।


১৯৯৭ সালে ওডিশা বোর্ডের উচ্চমাধ্যমিক (প্লাস টু) পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে রাজ্যজুড়ে তীব্র আন্দোলন শুরু হয়। তখন জানকী বল্লভ পট্টনায়কের নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন ভাগবত প্রসাদ মহান্তি। প্রশ্নফাঁসের বিচার ও দায়ীদের শাস্তির দাবিতে ভুবনেশ্বরের রাজ্য সচিবালয়ের সামনে প্রায় ১,৫০০ শিক্ষার্থীকে নিয়ে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) তৎকালীন তরুণ নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধান।


সেই সময়ের প্রত্যক্ষদর্শী ও ধর্মেন্দ্র প্রধানের সহপাঠী প্রশান্ত রাউতের ভাষ্য অনুযায়ী, সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে গুরুতর আহত হন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তার শরীরের একাধিক হাড় ভেঙে যায়। তবে তিনি আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়াননি। পরবর্তীতে ওই আন্দোলনের চাপে ওডিশা সরকার সিএইচএসই (CHSE)-এর নেতৃত্বে পরিবর্তন আনে এবং শিক্ষা প্রশাসনে সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আন্দোলনই ধর্মেন্দ্র প্রধানের জাতীয় রাজনীতিতে উত্থানের অন্যতম ভিত্তি হয়ে ওঠে।


এর ২৯ বছর পর, ২০২৬ সালে, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হন তিনি। গত ৫ মে অনুষ্ঠিত নিট-ইউজি (NEET-UG) পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। সিজেপির নেতৃত্বে ২০ জুন থেকে দিল্লির যন্তর মন্তরে টানা ৩৬ দিনের আন্দোলনের পর শনিবার (২৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।

পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, তরুণ সমাজের বিভ্রান্তি দূর করতে এবং কোনো রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি যেন পরিস্থিতির সুযোগ নিতে না পারে, সে বিবেচনায়


তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ইতিহাসের এই ঘটনাপ্রবাহে এক বিরল রাজনৈতিক প্রতীকীতা ফুটে উঠেছে। যে তরুণ একসময় প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রীর জবাবদিহি দাবি করেছিলেন, প্রায় তিন দশক পর একই ধরনের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে নিজেই শিক্ষামন্ত্রীর পদ ছাড়লেন।