
সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে জমে উঠেছে প্রতিযোগিতা। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কয়ছর এম আহমদ মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী।
তিনি বলেন, “নীতি নির্ধারণী মহলের গ্রিন সিগন্যাল পেয়েই নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেছি। জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জের মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।” তিনি প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন স্থানে সভা-সমাবেশ ও কর্মিসভা করছেন, স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করেছেন।
কয়ছর এম আহমদ আরও বলেন, “মনোনয়ন পেলে জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জের মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থন পাব ইনশাআল্লাহ। বিএনপি যদি আল্লাহর রহমতে সরকার গঠন করতে পারে, তবে এ অঞ্চলে সুষম উন্নয়ন হবে—কোনো বৈষম্য থাকবে না।”
অন্যদিকে মনোনয়ন প্রত্যাশী মুক্তিযোদ্ধা দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মালেক খানও লবিং জোরদার করেছেন। তিনি বলেন, “আমি কেন্দ্রের গ্রিন সিগন্যাল পেয়ে নির্বাচনী এলাকায় কাজ শুরু করেছি। ২০০৫ সালের উপনির্বাচনে আমাকেই মনোনয়ন দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু জোটের সিদ্ধান্তে মাওলানা শাহিনূর পাশা মনোনয়ন পান। এবার দল আমাকে মনোনয়ন দেবে বলে আমি আশাবাদী।”
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে মনোনয়ন পেতে একাধিক প্রবাসী নেতা তৎপর রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন— মেজর (অব.) আসফাক শামী, যুক্তরাজ্য বিএনপির সহসভাপতি এম এ সাত্তার, যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন এবং সুইডেন বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ কাহার।
এদিকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতা সৈয়দ তালহা আলমও ধানের শীষ প্রতীকে জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনিও এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ চালাচ্ছেন।
বিএনপির নীতি নির্ধারণী সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী খুব শিগগিরই চূড়ান্ত করা হবে।