সর্বশেষ
মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ বিরোধী নেতাদের আটকসাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে জামায়াতের বিবৃতিপ্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিটে ছাড়, লাউঞ্জ সুবিধা ও ভূমি সেবায় অগ্রাধিকারস্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে ফিলিস্তিনজুড়ে উল্লাস, গাজায় আনন্দ মিছিলবাবাকে হজে পাঠানোর স্বপ্ন দেখা সুজনের পাশে প্রধানমন্ত্রী, পড়াশোনার দায়িত্ব নিল সরকারপ্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর প্রতিমন্ত্রীর বাড়ি ও ছেলেদের নামে বিতর্কিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন।শরিকদের সম্মানে প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজে নেই জমিয়ত।বিশ্বকাপ জিতে ৪৮১ কোটি টাকা পুরস্কার পাচ্ছে স্পেন, রানার্সআপ আর্জেন্টিনার প্রাপ্তি ৩১৭ কোটিমোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ বিরোধী নেতাদের আটকসাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে জামায়াতের বিবৃতিপ্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিটে ছাড়, লাউঞ্জ সুবিধা ও ভূমি সেবায় অগ্রাধিকারস্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে ফিলিস্তিনজুড়ে উল্লাস, গাজায় আনন্দ মিছিলবাবাকে হজে পাঠানোর স্বপ্ন দেখা সুজনের পাশে প্রধানমন্ত্রী, পড়াশোনার দায়িত্ব নিল সরকারপ্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর প্রতিমন্ত্রীর বাড়ি ও ছেলেদের নামে বিতর্কিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন।শরিকদের সম্মানে প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজে নেই জমিয়ত।বিশ্বকাপ জিতে ৪৮১ কোটি টাকা পুরস্কার পাচ্ছে স্পেন, রানার্সআপ আর্জেন্টিনার প্রাপ্তি ৩১৭ কোটি
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কওমি মাদরাসার সনদধারীদের ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা।

প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর, ২০২৫
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কওমি মাদরাসার সনদধারীদের ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ধর্ম উপদেষ্টা জানিয়েছেন, দাওরায়ে হাদিসের সনদধারী কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, “যে সকল কওমি মাদরাসার ছাত্রদের দাওরায়ে হাদিসের সনদ আছে—যা পূর্ববর্তী সরকার এমএ অ্যারাবিক ও এমএ ইসলামিক স্টাডিজের সমমান দিয়েছে—তারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগ দিলে ধর্ম ও বাংলা বিষয়ে ভালোভাবে পড়াতে পারবেন। এ বিষয়ে আমি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে আধা-সরকারি চিঠি দিয়েছি, এবং তারা বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে।”

হেফাজতে ইসলামের দাবির প্রসঙ্গে তিনি জানান, সংগীত শিক্ষকের বদলে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাব প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বর্তমানে পর্যালোচনা করছে।

এক প্রশ্নের জবাবে ড. খালিদ হোসেন বলেন, “প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোন কোন বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ হবে, তা ধর্ম মন্ত্রণালয়ের আওতায় নয়; এটি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিষয়। তবে হেফাজতের নেতাদের দাবি আমি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টাকে জানিয়েছি এবং আলোচনার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছি। যেহেতু হেফাজতে ইসলামসহ আলেম-ওলামাদের পক্ষ থেকে সংগীতকে পাঠ্যবিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আপত্তি রয়েছে, তাই বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা জানিয়েছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘ধর্মীয় শিক্ষক’ নামে কোনো পদ নেই; সহকারী শিক্ষকরাই বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সমাজ ও ধর্মসহ সব বিষয় পড়ান।”

ধর্ম উপদেষ্টা আরও জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মশিক্ষার ক্লাস ইতোমধ্যেই বাড়ানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রায় ছয়-সাত মাস আগে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি ডিও লেটার পাঠানো হয়েছিল।

তিনি যোগ করেন, “হেফাজতের আপত্তি ও বিভিন্ন ইসলামিক সংগঠনের দাবির বিষয়টি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় পর্যালোচনার মধ্যে রেখেছে। সংগীত শিক্ষক নিয়োগ বাতিল হবে কি না, সে সিদ্ধান্তও তারাই নেবে।”