সর্বশেষ
কল রেকর্ড নিয়ে বিরোধের জেরে সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগের হামলায় ছাত্রদলের আহত ১০সেনা প্রধানের উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটবিরোধী দলের ভাষা সংঘাতের দিকে না যাওয়ার আহ্বান ফখরুলেরবাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে ঢাকা সফরে আগ্রহ প্রকাশ করলেন ইউএই প্রেসিডেন্টজুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ৫ আগস্ট নয়াপল্টনে সমাবেশ করবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলঅসুস্থ বাবা ও প্রতিবন্ধী মায়ের সংসার চালাতেন আলিফ, চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ চাইল এনসিপিহবিগঞ্জে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী-সারজিস আলমসহ ১০ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামল।যশোরে গ্রেপ্তার শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন, চট্টগ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তরকল রেকর্ড নিয়ে বিরোধের জেরে সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগের হামলায় ছাত্রদলের আহত ১০সেনা প্রধানের উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটবিরোধী দলের ভাষা সংঘাতের দিকে না যাওয়ার আহ্বান ফখরুলেরবাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে ঢাকা সফরে আগ্রহ প্রকাশ করলেন ইউএই প্রেসিডেন্টজুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ৫ আগস্ট নয়াপল্টনে সমাবেশ করবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলঅসুস্থ বাবা ও প্রতিবন্ধী মায়ের সংসার চালাতেন আলিফ, চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ চাইল এনসিপিহবিগঞ্জে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী-সারজিস আলমসহ ১০ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামল।যশোরে গ্রেপ্তার শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন, চট্টগ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

পঞ্চগড়ে তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি।

প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর, ২০২৫
পঞ্চগড়ে তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি।

এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে পঞ্চগড় জেলার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করতে পারেনি। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) ফলাফল প্রকাশের পর এমন তথ্য জানা যায়।

শূন্য পাসের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—বোদা উপজেলার বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মাড়েয়া মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং তেঁতুলিয়া উপজেলার আলহাজ্ব তমিজ উদ্দীন কলেজ। তিনটি প্রতিষ্ঠানই এখনো এমপিওভুক্ত নয়।

তথ্য অনুযায়ী, বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১২ জন পরীক্ষায় অংশ নিলেও ৪ জন অনুপস্থিত ছিল। মাড়েয়া মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়, আর আলহাজ্ব তমিজ উদ্দীন কলেজ থেকে ৪ জনের মধ্যে ২ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়।

মাড়েয়া মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সপেন্দ্রনাথ বর্মণ বলেন, “আমাদের কলেজ শাখা এমপিওভুক্ত নয়। কয়েক বছর ধরে শিক্ষক সংকটে আছি। এজন্য একজন পরীক্ষায় অংশ নিলেও পাস করতে পারেনি।”

বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নার্গিস পারভিন মৌসুমী বলেন, “ভর্তি হওয়ার পর অধিকাংশ শিক্ষার্থীর বিয়ে হয়ে গেছে। পড়াশোনায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলায় কেউ পাস করতে পারেনি।”

আলহাজ্ব তমিজ উদ্দীন কলেজের অধ্যক্ষ হাসান আলী জানান, “চারজনের মধ্যে দুজন পরীক্ষায় অংশ নেয়। আমরা মনে করি, তারা পাস করতে পারত। ফলাফল পুনঃনিরীক্ষার জন্য বোর্ড চ্যালেঞ্জ করব।”

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খায়রুল আনাম মো. আফতাবুর রহমান হেলালী বলেন, “যেসব প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করতে পারেনি, তাদের শোকজ করা হবে। এই ফলাফলের কারণ খুঁজে বের করে ভবিষ্যতে কিভাবে উন্নতি আনা যায়, সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”