সর্বশেষ
মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ বিরোধী নেতাদের আটকসাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে জামায়াতের বিবৃতিপ্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিটে ছাড়, লাউঞ্জ সুবিধা ও ভূমি সেবায় অগ্রাধিকারস্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে ফিলিস্তিনজুড়ে উল্লাস, গাজায় আনন্দ মিছিলবাবাকে হজে পাঠানোর স্বপ্ন দেখা সুজনের পাশে প্রধানমন্ত্রী, পড়াশোনার দায়িত্ব নিল সরকারপ্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর প্রতিমন্ত্রীর বাড়ি ও ছেলেদের নামে বিতর্কিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন।শরিকদের সম্মানে প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজে নেই জমিয়ত।বিশ্বকাপ জিতে ৪৮১ কোটি টাকা পুরস্কার পাচ্ছে স্পেন, রানার্সআপ আর্জেন্টিনার প্রাপ্তি ৩১৭ কোটিমোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ বিরোধী নেতাদের আটকসাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে জামায়াতের বিবৃতিপ্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিটে ছাড়, লাউঞ্জ সুবিধা ও ভূমি সেবায় অগ্রাধিকারস্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে ফিলিস্তিনজুড়ে উল্লাস, গাজায় আনন্দ মিছিলবাবাকে হজে পাঠানোর স্বপ্ন দেখা সুজনের পাশে প্রধানমন্ত্রী, পড়াশোনার দায়িত্ব নিল সরকারপ্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর প্রতিমন্ত্রীর বাড়ি ও ছেলেদের নামে বিতর্কিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন।শরিকদের সম্মানে প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজে নেই জমিয়ত।বিশ্বকাপ জিতে ৪৮১ কোটি টাকা পুরস্কার পাচ্ছে স্পেন, রানার্সআপ আর্জেন্টিনার প্রাপ্তি ৩১৭ কোটি
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

বাংলাদেশে ধারাবাহিক অগ্নিকাণ্ড: স্যাবোটেজের ছায়া, পরবর্তী টার্গেটের আশঙ্কা

প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর, ২০২৫
বাংলাদেশে ধারাবাহিক অগ্নিকাণ্ড: স্যাবোটেজের ছায়া, পরবর্তী টার্গেটের আশঙ্কা

ঢাকা, ১৮ অক্টোবর ২০২৫: বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত স্থানগুলোতে ধারাবাহিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা দেশজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। গত চার দিনের মধ্যে তিনটি বড় অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে—১৪ অক্টোবর মিরপুরের গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি ও কেমিক্যাল গুদামে, ১৬ অক্টোবর চট্টগ্রামের এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (ইপিজেড)-এ এবং আজ ১৮ অক্টোবর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে।

এই ঘটনাগুলোকে অনেকে দুর্ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত নাশকতা বলে সন্দেহ করছেন, যা দেশের অর্থনীতি ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন এই ঘটনাগুলোর তদন্ত শুরু করেছে এবং স্যাবোটেজের প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। 5 9 10

ঘটনাগুলোর বিবরণ
• মিরপুর অগ্নিকাণ্ড (১৪ অক্টোবর): রাজধানীর মিরপুরের শিয়ালবাড়িতে একটি গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি এবং সংলগ্ন কেমিক্যাল গুদামে ভয়াবহ আগুন লাগে। এতে কমপক্ষে ১৬ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয় এবং অনেকে আহত হন। ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে, কিন্তু ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বিপুল। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। 2 9 10
• চট্টগ্রাম ইপিজেড অগ্নিকাণ্ড (১৬ অক্টোবর): চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকায় একটি শিল্পকারখানায় আগুন লাগে, যা দেশের রপ্তানি-ভিত্তিক অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এই ঘটনায় কোনো প্রাণহানির খবর না পাওয়া গেলেও, উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে এবং কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাব ছিল। 5 10
• শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজ অগ্নিকাণ্ড (১৮ অক্টোবর): আজ দুপুরে বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের ইমপোর্ট সেকশনে আগুন লাগে, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফলে সব ফ্লাইট সাসপেন্ড করা হয়েছে এবং যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে, কিন্তু বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। এই ঘটনায় কোনো প্রাণহানির খবর নেই, তবে আমদানি-রপ্তানি ব্যাহত হয়েছে। 4 6 7 8 9 11 12 13

ধারাবাহিকতা এবং সম্ভাব্য কারণ
এই তিনটি ঘটনার মধ্যে লক্ষণীয় ধারাবাহিকতা রয়েছে—প্রতি দু’দিন অন্তর একটি করে অগ্নিকাণ্ড, এবং সবগুলো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্রে। সাবেক ফায়ার সার্ভিস প্রধানরা এগুলোকে “দুর্ঘটনা নয়, সম্ভবত স্যাবোটেজ” বলে মন্তব্য করেছেন। জামায়াতে ইসলামীর প্রধান শফিকুর রহমানও “দুর্ঘটনা না স্যাবোটেজ?” প্রশ্ন তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তদন্ত চলছে এবং স্যাবোটেজের প্রমাণ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর পেছনে রাজনৈতিক অস্থিরতা বা অর্থনৈতিক প্রতিপক্ষের হাত থাকতে পারে, যা দেশের অর্থনীতিকে দুর্বল করার চেষ্টা। 5 9 10

পরবর্তী টার্গেটের সম্ভাবনা
ধারাবাহিকতা অনুসারে, পরবর্তী অগ্নিকাণ্ড ২০ অক্টোবর ঘটতে পারে। সম্ভাব্য টার্গেট হিসেবে বিশেষজ্ঞরা চট্টগ্রাম বন্দর, সাভারের ইপিজেড বা কোনো পাওয়ার প্ল্যান্টকে চিহ্নিত করছেন, কারণ এগুলো দেশের অর্থনীতির মূল স্তম্ভ। সরকারকে এই স্থানগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যদি এটি স্যাবোটেজ হয়, তাহলে এটি একটি বড় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ।

সরকার এবং ফায়ার সার্ভিসকে আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা। তদন্তের ফলাফল না আসা পর্যন্ত জল্পনা চলবে, কিন্তু এই ঘটনাগুলো দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ করেছে।